সময়ের এপিটাফ
বেঁচে থাকার আতঙ্কে দিন কাটে বেঁচেই কেন থাকতে হবে ভাই? সমাজ এবং রাষ্ট্র ছেড়ে আমি আমার শিশুর সঙ্গে বাঁচতে চাই।
বেঁচে থাকার আতঙ্কে দিন কাটে বেঁচেই কেন থাকতে হবে ভাই? সমাজ এবং রাষ্ট্র ছেড়ে আমি আমার শিশুর সঙ্গে বাঁচতে চাই।
সীমান্তের ওপারে অস্ত্রধারী রক্ষীরা শত্রু ঠাওরে একদল নারী–পুরুষকে ঠেলে দিল সীমান্তের এপারে এপারে দণ্ডায়মান রক্ষীরাও প্রস্তুত ছিল, সাফ জানিয়ে দিল, ‘ওরা আমাদের কেউ নয় ’ চারপাশে প্রতিধ্বনি ওঠে—‘ওরা আমাদের কেউ নয়’।
জহির রায়হান সম্পর্কে কৌতূহল দিন দিন বাড়ছে। এ সংকলন পাঠের মাধ্যমে দীর্ঘদিন অনাবিষ্কৃত জহির রায়হানের সৃষ্টিশীলতা ও শিল্পমানসের এক নতুন দিগন্ত পাঠক-গবেষকদের সামনে উদ্ভাসিত হবে সন্দেহ ব্যতিরেকে।
‘রাখেন আপনার আনাজপাতি। আপনার বন্ধুর সাথে কথা বলেন।’ বে ফোন নিয়ে বলল, ‘হারামজাদা!’ পপাই দ্য সেইলরের মতো হাসলাম। আর কী করব? আমি অধিকাংশ সময় মিথ্যা কথা বলি। মোবাইল ফোনে নাইনটি নাইন পার্সেন্ট বলি। মোবাইল ফোন অফ করে দিলাম। এখন আমি আর অতনু কথা বলব। সারা রাত কথা বলব। দশ বছর আগে মরে গেছে অতনু, তার সঙ্গে মিথ্যা কথা বলা যায় না।
পরদিন তিনি ওয়াহিদুল গনিকে সঙ্গে করে নড়াইল গেলেন। অনেক খুঁজে পেতে জাহান ভূ-চিত্রাবলী আর কত দেশ, কত দিগন্ত কিনলেন। ওয়াহিদুল গনি অকৃতদার, তদুপরি বিশ্বপর্যটক। শীতের মৌসুমে সাইকেল নিয়ে নড়াইল নয়তো দৌলতপুর চলে যান। যখন ফিরে আসেন, বাবলুর জন্য কত কী যে নিয়ে আসেন—পেন্সিল শার্পনার, স্ট্যাপলার, কলম। ছেলেটির আবার এসব জিনিসে দারুণ শখ। বাবলু—আবুল কালামের ছেলে—বাবাকে বলে, বাবা, তুমি যখন নড়াইল-টড়াইল যাও, গনি চাচার সঙ্গে যাবে, আর কারও সঙ্গে না। ব্যস। বুঝেছো?
১৯৯৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। জুলাই মাসের এক ভোর। টাইব্রেকারের শেষ শটটি জালে জড়াতেই হৃদপুর বন্দরের রাস্তায় নেমেছিল ব্রাজিল ফুটবল উৎসব। মিছিলটা বেরিয়েছিল তৈবরদার বাড়ির সামনে থেকে। সামনে তবারক কাকু। পরনে ক্যানারি হলুদ জার্সি। হাঁটু পর্যন্ত হাফপ্যান্ট। পায়ে ফুটবল বুট। দুই হাতে বুকের কাছে আগলে রাখা একটি ফুটবল। দেখে মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপটা রোমারিও নয়, তিনিই জিতে ফিরেছেন।
মালয়েশিয়াকে নিয়ে লেখা ইংরেজি ভাষার অনেক জনপ্রিয় বই আছে। তবে সেসব বইয়ে ঘুরেফিরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও জাপানি দখলদারির গল্প আসে; কিন্তু আজকের মালয়েশিয়াকে বুঝতে চাইলে অতীতের গল্পে পড়ে থাকলে চলবে না। দেশটির সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবন অনেক বদলে গেছে। সেই পরিবর্তনের গল্পও উঠে এসেছে সমসাময়িক লেখকদের বইয়ে। মালয়েশিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ দেয়, এমন চারটি বইয়ের খোঁজ জেনে নিন।
কিন্তু একদিন, ঠিক দুপুর বারোটা তেইশ মিনিটে এক আশ্চর্য কাণ্ড ঘটল। আকাশটা হঠাৎ একদম নীল হয়ে গেল। কোনো মেঘ নেই, কোনো পাখির ডাক নেই। এক গভীর নিস্তব্ধতা। অয়নের মনে হলো, তার কানের ভেতর কেউ যেন খুব জোরে একটা ঘণ্টা বাজিয়ে দিল। ঠিক সেই মুহূর্তে সে ওপাশের দাউদের চোখের দিকে তাকাল। একটা প্রশ্ন তার মাথার ভেতরে পোকার মতো কামড়াতে শুরু করল—‘আমি কেন এখানে? ও কেন ওখানে? আমাদের মাঝখানে এই লোহার কাঁটাতার কেন? কাঁটাতারের ওপারের মানুষটি সত্যিই কি আমার শত্রু?’
জনপ্রিয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সাইমন অ্যান্ড শুস্টার তাদের ছয় হাজারের বেশি বই চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নির্মাতাদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি হলিউডভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ব্ল্যাক লিস্টের সঙ্গে নতুন একটি অংশীদারত্ব চুক্তি করেছে। এ উদ্যোগের ফলে ব্ল্যাক লিস্টের অনলাইন ডেটাবেজে সাইমন অ্যান্ড শুস্টারের হাজারো বইয়ের তথ্য যুক্ত হবে। নির্মাতা, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকারেরা সহজেই বইগুলো খুঁজে দেখে সেগুলো থেকে চলচ্চিত্র বা টিভি সিরিজ নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাই করতে পারবেন।
সে একদিন গেছে বটে। বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা। টক-ঝাল-মিষ্টি। আরও কত স্বাদের! আমি আর মসিহউদ্দিন শাকের মিলে সূর্য দীঘল বাড়ীর স্ক্রিপ্ট জমা দিলাম ১৯৭৬ সালে। সরকারি অনুদান পেলাম ১৯৭৭ সালে মাত্র আড়াই লাখ টাকা। নগদ তুললাম ৫০ হাজার। শাকের ইঞ্জিনিয়ারগিরি ছেড়ে দিয়ে তার শ্বশুরের প্রভিডেন্ট ফান্ডের ৪০ হাজার টাকা আনল। আমি মোল্লা মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে অ্যাকাউন্ট্যান্টের ফুলটাইম চাকরি ছেড়ে পার্টটাইম হলাম; উপরন্তু অফিস থেকে ১৮ হাজার টাকা অগ্রিম তুলে এনে দুজন মিলে আদাজল খেয়ে লেগে পড়লাম।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের এমন এক নাম, যিনি কেবল কাব্য ও নাটকের ধারাই বদলে দেননি; বরং সাহিত্যকে একটি নতুন বিশ্বদৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। তাঁর জন্মের দুই শতকের বেশি সময় পেরিয়ে এবং মৃত্যুর দেড় শতাব্দীর কাছাকাছি এসে আজও তাঁর জীবন ও সাহিত্য নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা অর্জন করে, কারণ তিনি একই সঙ্গে ঐতিহ্য ভাঙার সাহস এবং নতুন ঐতিহ্য নির্মাণের শক্তি—দুটিই ধারণ করেছিলেন।
ক্যামেরুনের পক্ষে ডেভিড এম্বে গোল দিয়েছেন। আব্বা পান চিবুতে চিবুতে প্রবল উত্তেজনায় মাথা ঝাঁকিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে মাথা জোরে টান দিয়ে চিৎকার করে বললেন, ‘গোওওওওওও।’ আব্বার মুখ থেকে পুরো ঘরে ফোয়ারার মতো পানের তুষ ছড়িয়ে পড়ল। আব্বার তুমুল আনন্দে আমাদের খেলা দেখা সহজ হয়ে গেল। আমরা সবাই একসঙ্গে গলা ছেড়ে চেঁচিয়ে উঠলাম, ‘গোওওওওওওল।’