
ইরানকে যেভাবে যুদ্ধের ময়দানে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া
ইরানের নিজস্ব সামরিক নজরদারি স্যাটেলাইট খুবই সীমিত। খোলা সমুদ্রে দ্রুতগতির নৌবহর অনুসরণ করার জন্য তা যথেষ্ট নয়। রাশিয়ার ক্ষেত্রে সেই সীমাবদ্ধতা নেই।

ইরানের নিজস্ব সামরিক নজরদারি স্যাটেলাইট খুবই সীমিত। খোলা সমুদ্রে দ্রুতগতির নৌবহর অনুসরণ করার জন্য তা যথেষ্ট নয়। রাশিয়ার ক্ষেত্রে সেই সীমাবদ্ধতা নেই।

তেহরানে যুদ্ধের প্রহর: এক বোনের আর্তনাদ

যুদ্ধ চলছে, একের পর এক বোমায় প্রকম্পিত ইরানের রাজধানী তেহরান। সেখানে জীবন এখন কেমন আতঙ্কের, তা প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায়।

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ টানা কয়েক বছর ধরে বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি বাজার ও খাদ্য সরবরাহব্যবস্থাকে অস্থির করে রেখেছে। এই সংঘাতগুলো শুধু আঞ্চলিক সামরিক দ্বন্দ্ব নয়; এর প্রভাব এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে শুরু করে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা আর জীবনযাত্রায় সরাসরি আঘাত হানে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর লাভ নেই। আরব বিশ্বেরও নেই। কিন্তু একটি রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে মনে করে, অঞ্চলে শক্তির শূন্যতা তৈরি হলে তার আপেক্ষিক শক্তি বাড়ে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরাকের আকাশসীমায় একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে।

তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা কম।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ একটি প্রস্তাব পাস করেছে।

মার্কিন বাহিনী কুয়েতে ইরাকের বিরুদ্ধে ‘ডেজার্ট স্টর্ম’ অভিযান চালিয়েছিল

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে। এ সংঘাত আর কেবল আঞ্চলিক সীমার ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; এর অভিঘাত পৌঁছে গেছে বৈশ্বিক স্তরে।

শেষ জামানায় পৃথিবীতে বড় অস্থিরতা দেখা দেবে। এরপর ঘটবে ‘র্যাপচার’। অর্থাৎ বিশ্বাসীরা অলৌকিকভাবে স্বর্গে চলে যাবেন।

ইরানে মেয়েদের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী।