
পদত্যাগপত্রে কী লিখেছেন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা
পদত্যাগপত্রে কী লিখেছেন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা

পদত্যাগপত্রে কী লিখেছেন শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা

ইরান যুদ্ধের কারণে ইউরোপীয় নেতারা এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা সত্ত্বেও ইরানের বর্তমান সরকার টিকে যেতে পারে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরু হওয়ার দুই সপ্তাহ হলো। যুদ্ধের এই ডামাডোলে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের আভাস মিলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় খামেনি ও পাকপুর নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পর্ষদের সেক্রেটারি আলী লারিজানি জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন।

ইরান যুদ্ধে ধর্মের কার্ড যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকেও বিভক্ত করেছে।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে স্তম্ভিত করে দিলেও দেশটিতে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের খুব একটা লক্ষণ নেই।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুব হোসেন বলেন, মানবাধিকার সংরক্ষণের নামে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশে তাদের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।

যে যুদ্ধ ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বিপুল বিনিয়োগ করেছিল, শেষ পর্যন্ত সে যুদ্ধই শুরু হয়েছে।

ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধের নেতৃত্বে রয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যকে দ্রুত বর্ধনশীল সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন সিনেটর।