
তেলসংকটে রাজধানীর কয়েকটি পাম্প বন্ধ
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।

জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছে সরকার।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে। ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। যুদ্ধের কারণে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন বিঘ্নিত হচ্ছে, সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়ছে, দাম বাড়ছে।

যুদ্ধ মানেই শুধু সীমান্তে গোলাগুলি, ক্ষেপণাস্ত্র বা কূটনৈতিক উত্তেজনার খবর নয়। যুদ্ধের অর্থ আরও বিস্তৃত—এটি বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় এবং অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দেয়।

জ্বালানি তেলের মজুত কতটা, আতঙ্ক কতটা যৌক্তিক

হার্টের রক্ত সরবরাহকারী প্রধান নালিগুলোর নাম করোনারি ধমনি। এই ধমনিগুলোতে ব্লক বা রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলেই করোনারি হৃদ্রোগ হয়।

ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

গ্যাসের সরবরাহ কমেছে, কিছুটা লোডশেডিং হতে পারে। আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার অনুরোধ।

মার্চ মাসেও ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা অপরিবর্তিত রেখেছে বিইআরসি।

এই ডিপোতে ১৪ জন স্টাফ, ৭৫-৮০ জন ডিলার এবং তাঁদের মাধ্যমে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন বিক্রয় প্রতিনিধি ও সরবরাহকর্মী কাজ করতেন।

যেসব দেশের হাতে বিপুল তেলসম্পদ রয়েছে, তাদের অনেকেই দ্রুত সমৃদ্ধ হয়েছে। এ কারণে তেলের উৎস ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরাশক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিনের।