হঠাৎ ইসরায়েল-জার্মানি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি কী কারণে
ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান
ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান
যুদ্ধ মানেই শুধু সীমান্তে গোলাগুলি, ক্ষেপণাস্ত্র বা কূটনৈতিক উত্তেজনার খবর নয়। যুদ্ধের অর্থ আরও বিস্তৃত—এটি বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় এবং অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দেয়।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বেড়েছে। প্রায় ৪৪ শতাংশ ভূখণ্ডের এই সমৃদ্ধ প্রদেশ ইরানের সিস্তান-বেলুচিস্তানের সঙ্গে ৯০০ কিলোমিটার সীমান্ত ভাগ করে। ইসলামাবাদের মধ্যস্থতার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সংকট তীব্র হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ঘোষণার পর সবাই আশা করেছিল ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ নিয়ে বড় ঘোষণা করবেন, কিন্তু বুধবারের সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি পুরোনো কথাই পুনরাবৃত্তি করলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে নতুন কোনো পরিকল্পনা নেই। আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে সংক্ষিপ্ত।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে ফের উত্তপ্ত করে তুলেছে। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে ভেস্তে যেতে বসেছে চলমান শান্তি আলোচনা ও সমঝোতা চুক্তি।
যুদ্ধের এক মাস পরও ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আগ্রাসনকারীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করেছে তেহরান। পাকিস্তানসহ মুসলিম দেশগুলো কূটনৈতিক উদ্যোগ নিচ্ছে যুদ্ধ বন্ধে।
গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধবিরতির মধ্যে এ সংঘাত সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা দিয়েছে। দুই পক্ষই পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে দাবি করলেও উভয়ই পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
দুই দেশ চুক্তির ‘দ্বিতীয় ধাপের’ দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা ইরান যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি ওলটপালট হলেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে পর্দার আড়ালে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সামরিক পদক্ষেপেরই অংশ ছিল এ বিমান হামলাগুলো।