যুদ্ধের কারণে ১০০ কোটি ব্যারেলের বেশি তেল বাজারে আসেনি, কী প্রভাব
হরমুজ প্রণালি খুললেও বৈশ্বিক তেলবাজারে স্বস্তি ফেরেনি। মজুতের সংকট, সরবরাহে বিলম্ব ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা এখনো রয়ে গেছে।
হরমুজ প্রণালি খুললেও বৈশ্বিক তেলবাজারে স্বস্তি ফেরেনি। মজুতের সংকট, সরবরাহে বিলম্ব ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা এখনো রয়ে গেছে।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন সংকট দেখা দিয়েছে।
হরমুজে জাহাজ চলাচল কমায় জ্বালানি তেলের বাজারে সংকট আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা।
হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভোক্তা ও অর্থনীতির চাপ কমাতে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাজ্য থেকে শুরু করে ফিলিপাইনস, শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত বিস্তারিত ব্যবস্থা।
ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
১৯৫৬ সালে সুয়েজ খালের জাতীয়করণ ছিল তেমনই এক সন্ধিক্ষণ, যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। এই সংকট ব্রিটেনের আর্থিক দুর্বলতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল। মার্কিন চাপের মুখে পাউন্ড স্টার্লিংয়ে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান দ্রুত ক্ষয়ে গিয়েছিল। আর শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদী হাত গুটিয়ে আনা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।
ম্যাককোয়ারি গ্রুপের গবেষণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চললে তেলের দাম সাময়িকভাবে ২০০ ডলার ছাড়াতে পারে, সম্ভাবনা ২০ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও হরমুজ বন্ধের কারণে ডব্লিউটিআই ক্রুড ১০০ ডলার পেরিয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, সরবরাহ সংকট গভীর হলে বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধাক্কা খাবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে কঠোর হামলার হুমকির পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ডব্লিউটিআই তেলও ১১০ ডলারের ওপরে ওঠে। ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত।