অযত্নের কচুরিপানায় নারীদের ভাগ্যবদল, পণ্য যাচ্ছে ৮২ দেশে
ঝিনাইদহের শত শত নারী অযত্নের কচুরিপানা দিয়ে দৃষ্টিনন্দন হস্তশিল্প তৈরি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ঘরে বসে তৈরি পরিবেশবান্ধব এসব পণ্য বিশ্বের ৮২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
ঝিনাইদহের শত শত নারী অযত্নের কচুরিপানা দিয়ে দৃষ্টিনন্দন হস্তশিল্প তৈরি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ঘরে বসে তৈরি পরিবেশবান্ধব এসব পণ্য বিশ্বের ৮২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
মাস্তুল ফাউন্ডেশন অসহায় পরিবারের স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে জাকাত অর্থে ক্ষুদ্র ব্যবসার উদ্যোগ নিচ্ছে, সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
একটি চারা থেকে শুরু করে ১৫০ জাতের আঙুর চাষে এক বছরে প্রায় ৯ লাখ টাকা আয় করে স্বাবলম্বী হয়েছেন চাঁদপুরের তরুণ ইকরাম খান।
রংপুরের সানজিদা আখতার প্রতিকূলতা পেরিয়ে ‘হাতের ছোঁয়া’ গড়ে তুলেছেন। তাঁর উদ্যোগে অর্ধশত নারী ঘরে বসেই কাজ করে আয় ও স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
নিরক্ষর আতিয়ার নৈশ বিদ্যালয়ে পড়ে অক্ষর চিনেছেন। এখন তিনি নিজের নাম লেখার পাশাপাশি ব্যবসার হিসাব–কিতাব করতে পারেন।
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানার গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার একজন শিক্ষার্থী ফাতেমা খাতুন। ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষার্থী সে। ফাতেমা খাতুন বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। ফাতেমা গুড়িহারী গ্রামের মো. মজিদুল ইসলাম
গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলানো চ্যালেঞ্জ থাকলেও দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন নারী কর্মকর্তারা। নারী ক্ষমতায়নে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তাঁরা।
রংপুরের তারাগঞ্জের গৃহবধূ বুলবুলি বেগম হাঁস পালন করে গড়ে তুলেছেন সফল খামার। প্রায় তিন হাজার হাঁস থেকে ডিম ও হাঁস বিক্রি করে মাসে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা আয় করছেন তিনি।
রাজশাহীর প্রত্যন্ত অঞ্চল চরখিদিরপুর গ্রামের এক সংগ্রামী তরুণ মো. আরাফাত রহমান। সে রাজশাহী আলোর পাঠশালায় ১০ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। নদীর ওপার থেকে প্রতিদিন কষ্ট করে যাতায়াত