গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ১৫ ধরনের পদে ৪৪ জন নিয়োগ করবে
গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ১৫টি পদে মোট ৪৪ জন নিয়োগের জন্য আবেদন চলছে। চিকিৎসক থেকে গার্ড পর্যন্ত বিভিন্ন পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বেতন নির্ধারিত হয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৬।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ১৫টি পদে মোট ৪৪ জন নিয়োগের জন্য আবেদন চলছে। চিকিৎসক থেকে গার্ড পর্যন্ত বিভিন্ন পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বেতন নির্ধারিত হয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৬।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলমকে সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা বাহিনীর ফোর্স কমান্ডার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গতকাল এ নিয়োগটি জানান। তাঁর ব্যাপক সামরিক অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে।
নেসকোতে নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) পদে ৩ বছরের চুক্তিতে পুনর্নিয়োগের সুযোগ। আবেদনের জন্য বয়স ৪৫-৬০ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা এমবিএ/এম কম এবং ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১২ মার্চ থেকে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।
বিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যানদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কমানোর প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাশেদা কে চৌধূরী।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলের আলোচনা চলছে। এ আলোচনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করার উদ্যোগ বলে মনে হচ্ছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি পদে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক না রাখার সিদ্ধান্তকে ঘিরে দেশে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে। একদল মনে করছে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে অনেকেই বলছেন—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ও পরিচালনায় দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত স্থানীয় অভিজ্ঞ ও সমাজে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি মূলত ডিগ্রি-নির্ভর নেতৃত্ব বনাম সামাজিক অভিজ্ঞতা ও কমিউনিটি নেতৃত্বের মধ্যে একটি বিতর্ক হিসেবে সামনে এসেছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ কীভাবে ভারসাম্যের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যায়—এটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ১৪ প্রার্থীর মধ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি আছে আটজনের। স্নাতক বা এর সমমানের ডিগ্রি আছে পাঁচজনের। একজনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি।
২৫১ জন শিক্ষকের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল বা ভুয়া। বাকি ১১ জনের বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার বা অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ভুয়া বা জাল।