ইউক্রেনের পর এবার মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইরানের শাহেদ ড্রোন
ইরানের সেই ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোন এখন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।
ইরানের সেই ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোন এখন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।
ছোট ও কম সম্পদশালী বাহিনীগুলোও এখন প্রতিপক্ষের বেশি ক্ষতি করার সক্ষমতা অর্জন করছে
ন্যাটোর শীর্ষ কমান্ডাররা দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের এই ড্রোন বিপ্লবের গুরুত্বকে উপেক্ষা করে আসছিলেন।
সেন্টকমের দাবি, সি-ড্রোন হামলার ফলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ইরানের অনবরত হামলা চালানোর সক্ষমতা ভেঙে পড়েছে।
২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধে এই ড্রোন বড় ভূমিকা রেখেছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও রণতরিগুলোতে থাকা সেনারা এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মাঝে ড্রোন হামলা এবং তেল রপ্তানির পথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব।
ড্রোন বা ড্রোনের ঝাঁক ধ্বংস করতেই এসব যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হচ্ছে।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করতে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করেছে ইরান।
জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন গ্যাস ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে, যাতে দুটি জাহাজে আগুন ধরে যায়।
হোয়াইট হাউসে হামলার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।