মোদির ইসরায়েল সফর কেন গুরুত্বপূর্ণ
মোদির ইসরায়েল সফর কেন গুরুত্বপূর্ণ
মোদির ইসরায়েল সফর কেন গুরুত্বপূর্ণ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ৭-৯ এপ্রিল দিল্লি যাচ্ছেন। এই সফরে ভারতের সঙ্গে টেকসই রাজনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে দিল্লির অবস্থান বুঝতে চাইবে ঢাকা। বাংলাদেশও তার দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ভারতের কাছে তুলে ধরবে।
আগামী বুধবার দুই দিনের সফরে মোদির ইসরায়েল পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ১ সেপ্টেম্বর—তবে ঢাকায় বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ হবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। ভারতীয় দলের ২৮ আগস্ট ঢাকায় আসার কথা থাকলেও অনুমতি ও স্পষ্ট ধারণার জন্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলেছে বিসিসিআই।
২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর সম্পর্ক দ্রুত ঘনিষ্ঠ হয়। বর্তমানে এশিয়ায় চীনের পর ইসরায়েলের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার ভারত।
আজ বুধবার দুদিনের সফরে আবারও ইসরায়েল যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি।
ভারতের সঙ্গে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম স্থগিত থাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছে। ৪ মে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণ চলবে ২১ মে পর্যন্ত।
ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফরের প্রস্তুতি বিষয়ে জানিয়েছে। তবে গতকাল শনিবার পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর এবং সফর শেষে যে যৌথ ইশতেহার প্রকাশিত হয়েছে, তাতে স্পষ্ট, এই দুই দেশের সম্পর্ক এখন গুণগতভাবে নতুন স্তরে প্রবেশ করেছে।
সংক্ষিপ্ত এই সফর শেষে শরিফ আহমেদ আবারও পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় ফিরে গেছেন।
রাজ্য বিজেপি–নেতৃত্বও মোদির ভাষণের পর কিছুটা বিব্রত বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর করলেন। মালয়েশিয়া হয়ে তিনি চীনে গিয়েছেন। প্রথম দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া সফরকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করছেন?