বাংলা একাডেমিতে ভাবনগর ফাউন্ডেশনের বৈচিত্র্যময় আয়োজন: চর্যাপদ থেকে পাপেট শো
বাংলা একাডেমিতে ভাবনগর ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চর্যাপদের গান, সমকালীন কবিতা আলোচনা এবং পাপেট শো-এর এক ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলা একাডেমিতে ভাবনগর ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চর্যাপদের গান, সমকালীন কবিতা আলোচনা এবং পাপেট শো-এর এক ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আবুল হোসেন (১৫ আগস্ট ১৯২২–২৯ জুন ২০১৪) কলকাতায় গিয়েছিলেন গ্র্যাজুয়েশন করতে। তখন ‘তিরিশের’ প্রধান কবিদের অধিকাংশের সঙ্গেই তাঁর সরাসরি সাক্ষাৎ হয়। বাংলা কবিতা তত দিনে নতুন ‘আধুনিকতা’য় আস্থা পেয়েছে। ছাত্রজীবনেই প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ নববসন্ত (১৯৪০)। আবুল হোসেন কেন বাংলাদেশের প্রথম ‘আধুনিক’, কবির কাল ও কাব্যশৈলী বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়েছে এই লেখায়।
১৯৯৫ সালের ৫ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ শহরে আমাদের সন্তান ত্বকীর জন্ম। তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। এখানেই বেড়ে ওঠা। ত্বকীর জন্মের সময় আমিও কবি সুকান্তর মতো এ বিশ্বকে সব শিশুর বাসযোগ্য করে তোলার প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। ত্বকীকে পেয়ে আমাদের দিনগুলি ছিল হিরণ্ময়, লাল-নীল ঘুড়ির মতো আকাশে ওড়া বর্ণিল উচ্ছল এক অনাবিল আনন্দের। ত্বকী আস্তে আস্তে হাঁটতে শিখল। স্কুলে গেল, গান গাইতে শিখল, ছবি আঁকল, বাংলা-ইংরেজিতে কবিতা-গল্প লিখতে শুরু করল।
২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে ৯ নম্বর প্রশ্নটি থাকবে কবিতা বা গদ্য অনুচ্ছেদের মূল ভাব লেখার ওপর।
কোন প্রেক্ষাপটে সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কবিতায় বিশেষ অবদান রেখে বড় কবির স্বীকৃতি পেয়েছিলেন—বিশ শতকের রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে তা তুলে ধরা হয়েছে।
আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে শহীদ কাদরীর অবস্থান ও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর কবিপ্রতিভার বিকাশ নিয়ে আলোচনায় উঠে আসে নানা পর্যবেক্ষণ।
দ্বিতীয় দফায় সময় নির্ধারণ করা হলেও এখনো পুরস্কার দেওয়া হয়নি জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মোহন রায়হানকে।
হাতে হাতে বাঁশি, মুখে মুখোশ, রঙিন ফিতাসহ দাশাই নাচের সঙ্গে বৈশাখী সাজের সঙ্গে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ, নাচ-গান
বহুনির্বাচনি অংশে প্রশ্ন থাকবে ৩০টি। নম্বর ৩০। গদ্য অংশ থেকে ১৫টি প্রশ্ন, কবিতা অংশ থেকে ১৫টি প্রশ্ন থাকবে। সব কটির উত্তর দিতে হবে।
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলার মুসলমান সমাজের সাংস্কৃতিক অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ১৯২০ সালে মোসলেম ভারত পত্রিকায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে লেখেন ‘ফাতেহা-ই-দোয়াজ্-দহম্ (আবির্ভাব)’ শীর্ষক কবিতা।
দলের সদস্যরা যেহেতু নাট্যকর্মী, তাই তাঁদের পরিবেশনায় স্বাভাবিকভাবেই থাকে নাট্যরস। স্থান, কাল ও পাত্রভেদে বুনে চলেন গল্প। ফলে একসঙ্গে গান, কবিতা ও অভিনয়ের স্বাদ পান দর্শক।