ইরানে হামলা হলে ‘আঞ্চলিক যুদ্ধ’, যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি খামেনির
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরান বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে, তেহরানের জব্দ থাকা সম্পদের অন্তত একাংশ অবমুক্ত না হলে চুক্তি না–ও হতে পারে।
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে গত সেপ্টেম্বরে ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’ (এসএমডিএ) সই হয়।
বিল গেটসের টেরাপাওয়ার ও স্যাম অল্টম্যানের অর্থায়িত ওকলোর সঙ্গে প্রায় ৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি করেছে মেটা।
সৌদির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, এটি একটি ব্যাপক প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি, যা সব ধরনের সামরিক সক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। ঠিক এ ব্যাপকতার কারণে ইরান আতঙ্কিত হবে এবং এটি একটি বিপজ্জনক অস্ত্র প্রতিযেগিতা শুরু করতে পারে।
আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এটি কার্যকর না থাকলে দূরপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্রের ওপর আর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও সোভিয়েত নেতা লিওনিদ ব্রেজনেভ এ চুক্তি সই করেছিলেন।
১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে অস্থায়ী কাঠামোগত সমঝোতা ঘোষণা করা হয়েছে, তা কেবল স্থবির হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা নয়।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সমঝোতা চুক্তি করলেও মানছে না যুক্তরাষ্ট্র। ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে মধ্যপ্রাচের মুসলিম দেশটিতে টানা ৯ রাত ধরে হামলা চালাচ্ছে ওয়াশিংটন। এই হামলা অন্তত অর্ধশত ইরানি নিহত হয়েছেন। তবে ক্রমবর্ধমান সংঘাতকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে তথাকথিত ‘পারমাণবিক হুমকি রোধের’ অভিযান বল
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রীর ‘জুজুৎসু’ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে অভাবনীয় ছাড় আদায় করেছে। আমেরিকার নিজস্ব কৌশলই এখন তার বিরুদ্ধে ফিরে আসছে। এটি ২০১৫-এর পারমাণবিক চুক্তির চেয়েও কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
পারমাণবিক চুক্তির ক্ষেত্রে কারিগরি দিক এখনো বাকি, তবে আলোচনার মূল ভিত্তিগুলোর বিষয়ে দুই দেশ একমত।