যুক্তরাষ্ট্র থেকে সামরিক সরঞ্জাম, এলএনজি, কৃষি ও খাদ্যপণ্যের আমদানি বাড়ানোর শর্ত
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশকে অনেক পণ্য কিনতে হবে, যাতে দেশটির বাণিজ্যঘাটতি কমে। বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বাণিজ্যঘাটতি ৬০০ কোটি ডলারের।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশকে অনেক পণ্য কিনতে হবে, যাতে দেশটির বাণিজ্যঘাটতি কমে। বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের বাণিজ্যঘাটতি ৬০০ কোটি ডলারের।
বাজারে দেশি ও আমদানি করা—দুই ধরনের নাজিরশাইল চাল বিক্রি হয়। এর মধ্যে আমদানি করা নাজির চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা কমেছে।
বন্ধ হয়ে গেছে পণ্য ও যাত্রী পারাপার। তাতে বেকার পড়ে আছে রেলপথ, বহুমুখী স্টেশন ভবন, ইমিগ্রেশন–কাস্টমসের অবকাঠামো। নিভে গেছে স্থানীয় অর্থনীতির আশা।
২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০ লাখ ৮২ হাজার ৭২২ টন পণ্য আমদানি হলেও ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তা কমে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭ টনে দাঁড়ায়। একই সময়ে রপ্তানিতেও বড় পতনের তথ্য উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক বাজারের মূল ক্রেতা, অর্থাৎ সবচেয়ে বড় আমদানিকারক। এক বছরে ৩ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন বা ৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে তারা।
দেশে ৮ বিলিয়ন ডলারের রাসায়নিক পণ্যের বাজারের ৮০ শতাংশই আমদানিনির্ভর; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে।
বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যে আরও ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি কমাতে ব্যর্থ হয়েছে এই দেশগুলো।
গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানি দ্রুত বেড়েছে, অথচ একই গতিতে রপ্তানি বাড়েনি। যদিও সেবা রপ্তানিতে তাদের উদ্বৃত্ত আছে।
বাংলাদেশ থেকে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এয়ারলাইনস বা বিমান সংস্থার আন্তর্জাতিক কার্গো পরিবহনের মাধ্যমে পণ্য আমদানি–রপ্তানি করা হয়।
বিএসটিআইর পরীক্ষায় ৮টি ত্বক উজ্জ্বলকারী ক্রিমে পাওয়া গেছে ক্ষতিকর মার্কারি, যার মধ্যে ৭টিই পাকিস্তান থেকে অবৈধভাবে আমদানি করা পণ্য।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইসরায়েলের প্রযুক্তি খাতে গুরুতর কর্মীসংকট দেখা দিয়েছে। ইসরায়েল ইনোভেশন অথরিটির জরিপে দেখা গেছে, অর্ধেক প্রতিষ্ঠানে জনশক্তির ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী অনুপস্থিত। এতে পণ্য উন্নয়ন, আমদানি ও বিনিয়োগ সবকিছুতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
২০২৫–২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রায় সোয়া ১১ কোটি টন পণ্য পরিবাহিত হয়েছে; আমদানি ও রপ্তানি মিলিয়ে শুল্কায়িত মূল্য ১১ লাখ কোটি টাকার বেশি। সরকারি কোষাগার ও বন্দরের মোট রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা।