
রোনালদোর জন্য শুভকামনা
লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরেছেন। এবার তাঁর সামনে সুযোগ অবসরে যাওয়ার আগে নিজের শোকেসে দ্বিতীয় বিশ্বকাপটি যোগ করার।

লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ উঁচিয়ে ধরেছেন। এবার তাঁর সামনে সুযোগ অবসরে যাওয়ার আগে নিজের শোকেসে দ্বিতীয় বিশ্বকাপটি যোগ করার।

৪১ বছর বয়সে একজন ফুটবলারের ঠিকানা সাধারণত কোথায় হয়? স্মৃতির অ্যালবামে, ধারাভাষ্যকক্ষের আরামদায়ক চেয়ারে কিংবা ডাগআউটে কোটের বোতাম আঁটতে আঁটতে চিৎকার করা চরিত্রে।

৬’ সংখ্যাটার সঙ্গে পর্তুগালের একটা অদ্ভুত সংযোগ আছে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ইউসেবিওর পর্তুগাল তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছিল, শেষ পর্যন্ত হয়েছিল তৃতীয়।

অবশ্য দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে গোলরক্ষকদের সুবিধা সব সময়ই কিছুটা বেশি।

তবে এবার চাই পর্তুগাল জিতুক। এত বড় খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, তাঁর হাতে বিশ্বকাপ না দেখতে পারলে আমার কষ্ট লাগবে।

প্রশ্ন উঠছে, রোনালদো এই পর্তুগালের জন্য অপরিহার্য কি না? সামর্থ্যের দিক থেকে প্রশ্ন ছিল না কখনোই। কিন্তু ফিটনেসের দিক থেকে কি তিনি প্রস্তুত?

২০২৬ বিশ্বকাপে মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পেদের মতো তারকা ফুটবলারদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে বেশ কিছু রেকর্ড।

এবার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে প্রথম গোলটি মেক্সিকো ফরোয়ার্ড হুলিয়ান কিনিয়োনেসের। ম্যাচে ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে গোল করে ২০২৬ বিশ্বকাপের ইতিহাসে অমর হয়ে রইলেন।

রোনালদোর এখন ৪১, মেসি ৩৮ ও নেইমারের ৩৪ বছর। সংখ্যাগুলোর চাহনি বলছে, ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত কেউ টিকবেন না। নিশ্চয়ই ভাবছেন, তাহলে ‘দই’ দেখে ভয় পাওয়ার কী আছে? বটে!

স্বাগতিকদের ২-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচটিতে ৪৫ মিনিট মাঠে ছিলেন রোনালদো। কোনো গোল করেননি, অ্যাসিস্টও নেই।

অনুশীলনে সাদা টি-শার্ট আর কালো প্যান্টে হাজির হয়েছিলেন রোনালদো। দেখে খুব একটা জাঁকজমক লাগছিল না।

২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর যারা ফুটবলে খুব একটা মনোযোগ দেননি, তারা গত চার বছরে কী কী ঘটেছে জানলে চমকে উঠতে পারেন।