একবার জাল ফেলেই ধরা পড়ল ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি প্রায় অর্ধকোটি টাকা
হঠাৎ এত পরিমাণ ইলিশ মাছ ধরা পড়ার খবরে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের জেলেদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।
হঠাৎ এত পরিমাণ ইলিশ মাছ ধরা পড়ার খবরে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের জেলেদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।
রামগতির মতিরহাট মাছঘাটে ২ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ নিলামে সাড়ে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। কমলনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তাসহ স্থানীয়রা বলেছেন, বড় ইলিশের বাজারে চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম তুলনামূলকও বেশি পাওয়া যায়।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপকূলে মৌসুমের শুরুতেই বেশি ও বড় ইলিশ ধরা পড়ছে। জেলেরা ভালো দাম পাচ্ছেন। মৎস্য বিভাগ বলছে, নিষেধাজ্ঞার ফল মিলেছে।
শাহনাজ বেগমের শেয়ার করা সহজ পদ্ধতিতে তৈরি করে নিতে পারেন জিভে জল আনা ইলিশ মাছের কাঁচা মাখা।
চাঁদপুর বড় স্টেশন পাইকারি মাছঘাটে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৭০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মেঘনায় মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ ও মতলব উত্তর উপজেলার মাছবাজারে তেমন ইলিশ দেখা যাচ্ছে না।
রাজবাড়ীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মায় জাটকা ইলিশ শিকার চলছে। যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ, জাটকা উদ্ধার এবং তিন জেলেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পয়লা বৈশাখের আগে অবৈধ শিকার বেড়েছে।
চট্টগ্রাম উপকূলে মার্চ মাসে ইলিশ আহরণ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে। তবে বাজারে দাম কমার নাম নেই, বরং বেড়েছে। মৎস্য কর্মকর্তারা বলছেন, ছোট আকারের মাছের কারণে এমন হচ্ছে।
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের পোনা রক্ষায় মার্চ-এপ্রিলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ হলেও পয়লা বৈশাখ ঘিরে জেলেরা উৎসবে মগ্ন। সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, তারা প্রকাশ্যে ইলিশ ধরে পাড়ে বিক্রি করছেন। মৎস্য কর্মকর্তা জানান, অভিযান চলছে।
কক্সবাজারের টেকনাফে একটি ট্রলারে একসঙ্গে ১০১ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে, যা বিক্রি করে জেলেরা ৩৩ লাখ টাকা পেয়েছেন। দীর্ঘদিন পর এই সাফল্য জেলেদের মুখে হাসি ফোটিয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আগে এই ঘটনা আশার আলো জ্বালিয়েছে।
নিলামে ইলিশটি কেনা মাছ ব্যবসায়ী মো. ফিরোজ জানান, এটি ঢাকার কারওয়ান বাজারে পাঠানো হবে। সেখানে আরও বেশি টাকায় বিক্রি হবে বলে বিশ্বাস তাঁর।
কোনোভাবেই ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। এ নিয়ে সরকার সভা–সেমিনারসহ নানা ধরনের প্রকল্প নিলেও তা কাজে আসছে না।