গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব
ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে সংঘর্ষের ঘটনায় কিছু গণমাধ্যমের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে সংঘর্ষের ঘটনায় কিছু গণমাধ্যমের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার তিনটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো তরুণদের ক্ষমতালোভী করে তোলা এবং আমলাতন্ত্রের সঙ্গে আপস করা।
সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায়। গত ১৬ মাসেও মব–সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি পড়লে অন্তর্বর্তী সরকার আরও ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবিকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে সরকার।
ইউনূস সরকার স্পষ্ট বলে দিয়েছে, নির্বাচনের পরপরই তাদের মেয়াদ শেষ। এরই মধ্যে কয়েকজন উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন।
হাদি হত্যাকাণ্ড তদন্তে জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আসন্ন গণভোটে জনগণ যেন ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করে, সে জন্য অন্তর্বর্তী সরকার স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ের সর্বত্র ইতিমধ্যে প্রচারণা শুরু করেছে।
সবচেয়ে বড় যে প্রয়োজন ছিল, তা হলো বিদ্যমান শাসনের দৃঢ়তা। অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একটি সুস্পষ্ট এবং সমন্বিত বার্তা দেওয়া।
প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক অভিযোগ করেছেন যে, অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি করেছিল।
বিলুপ্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অতি উৎসাহী হয়ে ডজন ডজন অধ্যাদেশ জারি করেছিল। আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম দেড় মাসে, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সরকার ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে। অর্থাৎ গড়ে প্রতি দেড় দিনের কম সময়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা ও অদূরদর্শিতার সুযোগে বর্তমান সরকার জনগণের ওপর চড়াও হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন হাসনাত কাইয়ূম। পাশাপাশি তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ যে রাজনৈতিক বন্দোবস্তের প্রত্যাশা করেছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি।