
ইইউ ও ভারত ‘ঐতিহাসিক’ বাণিজ্য চুক্তি সই
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ নেওয়ার পরও অর্থনীতিতে নানা চ্যালেঞ্জ আছে। সামনে জাতীয় নির্বাচন। নতুন সরকার কেমন অর্থনীতি পাবে, তা নিয়ে জল্পনা–কল্পনা শুরু হয়েছে।

সব করদাতার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে এনবিআর। চলতি অর্থবছরে ইতিমধ্যে ৩৪ লাখের বেশি ই-রিটার্ন জমা পড়েছে।

জিএসপি সুবিধা স্থগিত হওয়ায় ভারত থেকে আমদানি করা প্রায় ৮৭ শতাংশ পণ্যেই বেশি শুল্ক দিতে হবে ইইউর আমদানিকারকদের। জিএসপি সুবিধা বহাল থাকবে মাত্র ১৩ শতাংশ পণ্যে।

সাক্ষাৎকালে দুই পক্ষের মধ্যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, শ্রম আইনের ব্যাপক সংস্কার, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্কচুক্তি, রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

চুক্তিটি কার্যকর করতে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউভুক্ত দেশগুলোর অনুমোদন দরকার।

ট্রাম্প ইউরোপের আটটি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্কারোপের ঘোষণা দিয়েছেন।

বন্ডের আওতায় ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির সুযোগ প্রত্যাহার করতে এনবিআরে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এনবিআর তা পর্যালোচনা করছে।

বিকাশ ব্যবহার করে ই-টিডিএস থেকে এ-চালানের মাধ্যমে বড় পরিমাণ অর্থের লেনদেন করতে পারবে কোম্পানিগুলো। এতে কর পরিশোধের ঝামেলা এড়ানো যাবে।

ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান

ভারতীয় সুতায় ২০ শতাংশ সেফগার্ড শুল্ক আরোপের দাবি জানিয়েছে বিটিএমএ। বিরোধিতা করছে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্য দিল্লিতে একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। তবে দিল্লি আপাতত এর কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।