
বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, সিপিবি, ইসলামী আন্দোলন নীতিগত প্রশ্নে যা বলছে
নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।

নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ‘শিক্ষা আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে এবং জনসাধারণের মতামতের জন্য আইনটির খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই প্রচারণা শুরু করেছে। এখন ভোটের রাজনীতি কেবল শহরের টক শো কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়।

মধ্য মাঘের শীতলতাকে ছাড়িয়ে এখন উষ্ণতা ছড়াচ্ছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। শুরু থেকেই কী এক অজ্ঞাত কারণে এই নির্বাচন আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে ব্যাপক বিভ্রান্তি ছিল জনমনে।

‘উন্নয়নের রোল মডেল’, ‘২০৪১ সালে উন্নত দেশ’—এই স্লোগানগুলো তৈরি হয়েছে এই গ্র্যাজুয়েশনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আখ্যান নির্মিত হয়েছিল, সেই তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল? হোয়াইট পেপার বা শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ‘উন্নয়নের গল্প পরিসংখ্যানগত দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রমী ছিল, কিন্তু সেগুলো ছিল জনগণের সঙ্গে প্রতারণা’।

০ ২ ১ ৬

পবিত্র রমজান মাস এলেই আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কপালে উদ্বেগের ভাঁজ পড়ে।

দেশে বহু বছর পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। তবে দেশের অতীতের অন্যান্য নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচন নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা বেশি।

দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট–পরবর্তী বাংলাদেশ এক ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের অভিঘাত

ভারতে এমন একসময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে সের্জিও গোরের আগমন ঘটছে, যখন দেশ দুটির সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে এক গভীর সন্ধিক্ষণে।

আদিবাসীদের উন্নয়নে মানবাধিকারকে সর্বাগ্রে রাখতে হবে। তাদের মনে যেন কখনো এই বোধ জন্ম না নেয় যে তারা অন্যের দ্বারা শাসিত হচ্ছে। এই দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আর এর বড় দায় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর। আস্থা তৈরি করেই এ কাজটি করতে হবে।