যুদ্ধে ইরানকে যেসব সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়া ইরানকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমানের অবস্থান–সম্পর্কিত গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে।
রাশিয়া ইরানকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমানের অবস্থান–সম্পর্কিত গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে।
গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে শেভরনের প্রধান নির্বাহী মাইক ওয়ার্থসহ জ্বালানি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন।
গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।
এর আগে ওই অঞ্চলে তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর সুরক্ষায় মিত্র দেশগুলোর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যায়সঙ্গত শর্ত দিয়েছে বলে দাবি করে তেহরান। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে।
দিয়েগো গার্সিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটি নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে সিরিয়া, ওমান ও কুয়েতে পাল্টাহামলার দাবি ইরানের।
যুদ্ধ বন্ধের জন্য সই হওয়া সমঝোতা ভেঙে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করেছে ওয়াশিংটন ও তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্রের টানা আট রাতের হামলায় ইরানের দারখোভিন অঞ্চলের একটি নির্মাণাধীন পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে। এর জবাবে কুয়েত ও জর্ডানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান।
ইরান যুদ্ধে সস্তা শাহেদ ড্রোনের সাফল্য গুগলের সাবেক সিইও এরিক শ্মিটের পুরোনো পরামর্শকে নতুন করে প্রাসঙ্গিক করেছে। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে ব্যয়বহুল ট্যাংকের বদলে ড্রোন কেনার উপদেশ দিয়েছিলেন। এই যুদ্ধ ড্রোন প্রযুক্তির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের যৌক্তিকতার অভাব এবং উভয় মিত্রের লক্ষ্যের বিরোধিতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ইসরায়েলের নেতানিয়াহু রাজনৈতিক সুবিধার জন্য যুদ্ধকে কাজে লাগাচ্ছেন, কিন্তু এতে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি বাড়ছে। মার্কিন সাহায্যের অনিশ্চয়তা ইসরায়েলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ।
১৯৫৬ সালে সুয়েজ খালের জাতীয়করণ ছিল তেমনই এক সন্ধিক্ষণ, যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। এই সংকট ব্রিটেনের আর্থিক দুর্বলতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল। মার্কিন চাপের মুখে পাউন্ড স্টার্লিংয়ে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান দ্রুত ক্ষয়ে গিয়েছিল। আর শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদী হাত গুটিয়ে আনা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।