দ্য লিটল প্রিন্স: এক আধুনিক রূপকথা
দ্য লিটল প্রিন্স সাঁ-জুপেরিকে অমরত্ব দিয়েছে। আলোড়িত করেছে, করে যাচ্ছে অগণিত পাঠকের মন।
দ্য লিটল প্রিন্স সাঁ-জুপেরিকে অমরত্ব দিয়েছে। আলোড়িত করেছে, করে যাচ্ছে অগণিত পাঠকের মন।
সন্ধ্যার রুটিন ঠিক থাকলে জীবন নিজে থেকেই গোছাতে শুরু করে। সন্ধ্যা সাতটার পর কিছু ছোট অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে মন শান্ত থাকে, শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়।
সে প্রায় ৪২ বছর আগের কথা। আজ কেন জানি বারবার মন ফিরে যেতে চায় সেই ছোটবেলার দিনগুলোতে। সব স্বপ্ন, সব স্মৃতি ছেড়ে এসেছি, অনেক কিছু ভুলেছি।
বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য! ‘এত কথা বলার দরকার কী’—এই বাক্যটিই আজও এ দেশের রাজনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাবক। কারও হয়তো প্রশ্ন করতে মন চাইছে, কিন্তু সব প্রশ্ন কি করতে পারছে?
খাওয়ার সময় এক যুবক সালাম দিয়ে ইংরেজিতে জানাল, ইয়েমেন থেকে মাসহ ওমরাহয় এসেছে। তাদের সব চুরি হয়েছে। দেশে ফিরে যেতে পারছে না। একটা চিকেন খেতে দিয়ে অর্থিক সাহায্যে অপারগতা প্রকাশ করলাম। তৎক্ষণাৎ সে চলে গেল। পরে জানলাম, একশ্রেণির মানুষের এটা ব্যবসা। মন খারাপ হলো।
কারণ আমার শীতের পোশাক রেখে এসেছি মন-খারাপ-করা শীতবরফের দেশে!
আমাদের কাজ হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং যখনই মন অস্থির হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘আমি তো এখানে স্থায়ী নই, আমি তো কেবলই একজন মুসাফির।’
এই রিসোর্টের মালিক বাঙালি, ‘ঋদ্ধি চৌধুরী’। বয়স চল্লিশের কোঠায়, শান্তমুখ, আত্মবিশ্বাসী মন। এক অদ্ভুত দৃঢ়তা, যা জন্মেছে জীবনের কঠিন বাস্তবতা থেকে।
ম্যাট্রিক পাসের পর পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজে ভর্তি হলেন ঠিকই, কিন্তু ছবি তোলার নেশায় পড়াশোনার প্রতি তাঁর আর মন বসে না। এ সময় তাঁর ওপর ভর করে বেহালা বাজানোর নেশা।
মৌন ইতিহাস থেকে উঠে আসে বৃহৎ বিস্ফোরণ উড়ে যায় বৃহৎকেশীর মন খারাপের মেঘ
‘আমি আজ সবার সামনে বলতে চাই, যে কথাগুলো আমি বলেছি, সেটি মন থেকে আসেনি। এই কথাগুলো স্ক্রিপটেড ছিল। এগুলো সাজানো ছিল।’
পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদানের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ‘চোখে চোখে’ নজরদারির আহ্বান।