
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালি সংকট ও তেলের ঘাটতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জরুরি মজুত থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল ছাড়ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানিবাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মতৈক্যে পৌঁছেছে।

মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করতে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করেছে ইরান।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা। তবে বৃহস্পতিবার দিনভর তেলের দাম ওঠানামা করেছে। আজ শুক্রবার সকালে দাম আরও কমেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গতকাল এক বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের একাধিক ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ল এবং হরমুজ প্রণালি হুমকির মুখে পড়ল, তখন জ্বালানি আমদানিকারক অধিকাংশ দেশ বড় ধরনের সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’ জাহাজে বাংলাদেশি নাবিকেরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।

যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বড় সংঘাত এড়াতে দুই দেশই এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে।

ধরা যাক, আগামীকালই ইরান, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল শান্তিচুক্তি করল, হরমুজ প্রণালিও খুলে গেল।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মঙ্গলবার জয়পুরে বলেছেন, ইরানে নতুন মার্কিন হামলা সত্ত্বেও দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব।

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।