গান–নাচে মুখর আয়োজন
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রবাসী বাঙালিদের প্রাণের উচ্ছ্বাসে জমে উঠল বর্ণিল বৈশাখী মেলা।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রবাসী বাঙালিদের প্রাণের উচ্ছ্বাসে জমে উঠল বর্ণিল বৈশাখী মেলা।
৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এ প্রদর্শনী চলবে, যা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
আমাদের দেশে সংস্কৃতির আধুনিক ধারণার উদয়ের একটা উপনিবেশি পরম্পরা আছে। প্রাগাধুনিক সমাজে ধর্ম, রীতি, দেশাচার, আর্যত্ব, তমদ্দুন, তাহজিব, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদির ধারণা থাকলেও হালে সংস্কৃতির ধারণা অপেক্ষাকৃত নতুন।
তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।
বাংলার ‘ভাবসম্পদ’ বলতে আমরা যদি কেবল সাহিত্য, সংগীত বা শিল্পকলার ভান্ডার বুঝি, তাহলে আমরা এই বিশেষ ধরনের সম্পদের চরিত্র, গভীরতা ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে সীমিত করে ফেলি।
সিলেটের বিশ্বনাথের ইব্রাহিম শাহের মাজার। প্রায় শত বছর ধরে মাজারের পাশে বাউলগানের আয়োজন করা হয়।
পয়লা বৈশাখ বাঙালি পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ইউনেসকো স্বীকৃতির প্রসঙ্গে। অসাম্প্রদায়িকতা ও সামাজিক ঐক্য রক্ষায় এর তাৎপর্য অপরিসীম।
রংপুরের ‘গুড্ডি দাদু’ আবদুর রাজ্জাক চুরানব্বই বয়সেও হাতে ঘুড়ি বানিয়ে শিশুদের শৈশব রাঙান। পাঁচ দশক ধরে এই শখ তাঁর জীবনের অংশ। পয়লা বৈশাখে তাঁর ঘুড়ি মেলায় পাওয়া যাবে।
চৈত্রসংক্রান্তির সন্ধ্যায় বন্ধুর ফোনে পয়লা বৈশাখের দাওয়াত এল, কিন্তু তেলের সংকটে যাওয়া সম্ভব হল না। বন্ধু যুদ্ধপ্রিয় দেশের পরিবর্তে দেশীয় স্বার্থান্বেষীদের ‘অসাধু’ বলে সমালোচনা করলেন, ‘এসব অসাধু মানুষের কারসাজি। এরা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।’ চৈত্র-বৈশাখের স্মৃতি আর বর্তমান উৎসব নিয়ে হাসিঠাট্টা চলল।
রমনার বটমূলে বাংলা নববর্ষ বরণে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে সভাপতি সারওয়ার আলী বলেন, নির্ভয়ে গান গাওয়া ও শঙ্কামুক্ত জীবনের কামনা করেছেন। অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক করে বিশ্বশান্তির প্রার্থনা জানিয়েছেন। অনুষ্ঠান সকাল ৬টা ১৫ থেকে ৮টা ২৫ পর্যন্ত চলে।
বাঙালি জাতিসত্তা ও আবহমানকালের গৌরবময় সংস্কৃতির আনন্দঘন উদ্যাপনের দিন আজ।
রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আলোচনাসভায় সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদকে রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদের চেয়ে ভয়াবহ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশিষ্ট বক্তারা জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক নেতাদের ভাষণে সংস্কৃতির অনুপস্থিতি তুলে ধরে আত্মপরিচয়ের সংকটের কথা বলেন। আবুল মনসুর আহমদের দর্শন অনুসরণ করে সাংস্কৃতিক সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়।