
মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যগুলো এখনো ভাঙা
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রে ১৩ মার্চ গিয়ে দেখা যায়, সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাস্কর্যের হাতের অংশ এখনো ভাঙা। আনসার সদস্যদের হাতের রাইফেলগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া অবস্থায় রয়ে গেছে।

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রে ১৩ মার্চ গিয়ে দেখা যায়, সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাস্কর্যের হাতের অংশ এখনো ভাঙা। আনসার সদস্যদের হাতের রাইফেলগুলোও গুঁড়িয়ে দেওয়া অবস্থায় রয়ে গেছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বরিশালের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি ও পাকিস্তানি বাহিনীর টর্চার সেল কমপ্লেক্সের নানা অবকাঠামো ভাঙচুর করা হয়। এর পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাটি সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ৪০টির মতো অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যার প্রয়োজন। তাই এগুলো স্থগিত রাখা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে তাঁরা ধারণ করবেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে। এ অনুদানেই যাত্রা শুরু করেছিল ফাউন্ডেশন। এখন তহবিলে টাকা না থাকায় ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম চলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস ও স্থানীয় পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং গবেষণায় উৎসাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য বিভিন্ন পেশার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দেবে সরকার। এই উদ্যোগে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়েও গবেষণার সুযোগ রাখা হয়েছে।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার পূরণে সরকারের টালবাহানার সমালোচনা করেছে এবি পার্টি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রায় দেড় বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করে বিদায় নিচ্ছেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।

১০০টি মামলা নিয়ে অনুসন্ধান। হয়রানিমূলক আসামি করার নেপথ্যে সম্পদ দখল, ব্যবসায়িক ও পেশাগত বিরোধসহ নানা কারণ উঠে এসেছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবি।

আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পরই আওয়ামী লীগের নিয়োগ করা গভর্নরের পলায়নের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয় ড. আহসান হাবীব মনসুরকে। তাঁর ১৮ মাসের মেয়াদকালের নির্মোহ মূল্যায়নে ইতিবাচক-নেতিবাচক—দুই দিকই আসতে পারে। তবে তা কোনোভাবেই একটি নবনির্বাচিত সরকার কর্তৃক অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে তাঁর অপসারণের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে না।