তীব্র তাপপ্রবাহে বৈশ্বিক খাদ্যব্যবস্থা খাদের কিনারে: জাতিসংঘের সতর্কতা
বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটির বেশি মানুষের জীবিকা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা জাতিসংঘের।
বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটির বেশি মানুষের জীবিকা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা জাতিসংঘের।
সম্প্রতি মুক্তকণ্ঠ আয়োজিত ‘জলবায়ুজনিত প্রভাবের অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি’–বিষয়ক একটি গোলটেবিল আলোচনায় শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আবদুল বারেক
গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের সংরক্ষিত বনে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্যের ভাগাড়ের নির্মাণকাজ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক এবং পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ।
অগ্ন্যুৎপাতের সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা নির্গত হয়।
গ্রিনল্যান্ডের বরফ স্তরের গভীরে ড্রিলিং বা ছিদ্র করে বিজ্ঞানীরা এর অতীত এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে এক চমকপ্রদ তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।
খুলনা নগরে ২৯৮টি জলাশয় ছিল। এর মধ্যে ৮০টির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। ২৭টি জলাশয় আংশিক ভরাট হয়েছে। বাকিগুলো নাজুক হলেও কোনোমতে টিকে আছে।
পয়লা বৈশাখে ইলিশের অভাবে কক্সবাজারে চাপিলা-ফাইস্যার দাম বেড়েছে। ক্রেতারা ইলিশের বিকল্প হিসেবে এসব মাছ কিনছেন। জ্বালানি সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশের সংকট গভীরতর হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বেড়ে চলা খরা অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী সুপারবাগের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। মাটির নমুনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খরায় অ্যান্টিবায়োটিকের ঘনত্ব বেড়ে প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার আধিপত্য বাড়ে। ১১৬ দেশের হাসপাতালের তথ্যও এই যোগসূত্র নিশ্চিত করেছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের অ-অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি যেমন নদীভাঙন, বাস্তুচ্যুতি ও বাল্যবিবাহ নিয়ে মুক্তকণ্ঠের গোলটেবিলে আলোচনা হয়। এসব ক্ষতি জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ওঠে। শরীয়তপুরে ৯৮ শতাংশ মানুষ নদীভাঙনে বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়।
এসি কেনার সময় ঘরের আয়তনের সঙ্গে টনের অমিল করলে বিদ্যুৎ বিল বাড়ে এবং যন্ত্র নষ্ট হয়। বিশেষজ্ঞরা ইনভার্টার প্রযুক্তি, সঠিক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী বিকল্পও তুলে ধরা হয়েছে।
খুলনার কয়রা উপজেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ৯৭ শতাংশ পরিবার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার কারণে স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গবেষণায় লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড় সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।