
ট্রাম্প-সি বৈঠক: ফল কী
ট্রাম্প-সি বৈঠক: ফল কী

ট্রাম্প-সি বৈঠক: ফল কী

প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে চীনের রাজধানী বেইজিং সফর করেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পর নিজেদের ‘স্বাধীন রাষ্ট্র’ বলে দাবি করেছে তাইওয়ান।

ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি না হলে খারাপ সময় আসতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

নাইজেরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের সদস্যদের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের প্রাণঘাতী হামলার নির্দেশ দেওয়া এবারই প্রথম নয়। দেশটিতে খ্রিষ্টানদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগও করেছেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন সফর শেষে গতকাল শুক্রবার দেশে ফিরেছেন। এখন তিনি ইরান নিয়ে বড় ধরনের কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

‘বিশ্ব আবারও এক নতুন সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে।’ বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এ কথা বলেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। এরপর সি প্রশ্ন তোলেন, ‘চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি তথাকথিত “থুসিডাইডিস ফাঁদ” অতিক্রম করে বৃহৎ শক্তিগুলোর সম্পর্কের নতুন এক ধারা তৈরি করতে পারবে?’

ইসরায়েল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের কর আটকে রেখেছে।

অন্যান্য ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যেমন অনেকটা খালি হাতে ফিরতে হয়েছে, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও নাইজেরিয়ার যৌথ অভিযানে আইএসের সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু-বিলাল আল-মিনুকি নিহত হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ট্রাম্প-সি বৈঠক শেষে তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে কোনো স্পষ্ট অগ্রগতি হয়নি। উভয় পক্ষ সফরকে সফল বললেও বিস্তারিত সমঝোতার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছর স্থগিত করলে তা মেনে নেওয়া যাবে। এর মধ্য দিয়ে পুরোপুরি বন্ধের দাবি থেকে কিছুটা সরে এসেছে ওয়াশিংটন।