লামিনে ইয়ামাল উদ্যাপনের সময় ৩০৪ সংখ্যাটি দেখান কেন?
গোল করার পর দুই হাতের আঙুল দিয়ে ৩০৪ দেখিয়ে উদ্যাপন করেন তিনি। তাঁর বুটেও লেখা থাকে ‘এলওয়াই৩০৪’
গোল করার পর দুই হাতের আঙুল দিয়ে ৩০৪ দেখিয়ে উদ্যাপন করেন তিনি। তাঁর বুটেও লেখা থাকে ‘এলওয়াই৩০৪’
কোনো গোল না করেও নিখুঁত পাস, অসাধারণ পজিশনিং ও ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে রদ্রির অবদান ছিল অনন্য। তাঁর হাতেই উঠেছে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
নিউ ইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের ফাইনালে গোল হয়েছে মাত্র একটি, তবে ১২০ মিনিটের লড়াই ছিল জমজমাট। দেখুন বিশ্বকাপের ফাইনালের বিশেষ কিছু মুহূর্ত।
শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি। বিশ্বকাপের আগের সাত ম্যাচেও পাননি কোনো গোল। অথচ বদলি হিসেবে মাঠে নেমে সেই ফেরান তোরেসই হয়ে গেলেন স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক। তার ১০৬ মিনিটের একমাত্র গোলেই আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে লা রোহারা। নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে গোলশূন্য প্রথমা
পাসের পর পাস, প্রেসিংয়ের পর প্রেসিংয়ে প্রতিপক্ষের দমবন্ধ করে শেষ দিকে গোল করে ম্যাচ জিতে নেওয়া। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্পেন তিনটি ম্যাচই জিতেছে এই ছকে।
বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়নি কিলিয়ান এমবাপ্পের। তবে ব্যক্তিগত অর্জনে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ফ্রান্স অধিনায়ক। ১০ গোল করে ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জিতেছেন তিনি। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুবার গোল্ডেন বুট জিতলেন এমবাপ্পে। শুধু তাই নয়, দুটি পুরস্কারই জিতলেন টানা
১২০ মিনিটের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনাকে কার্যত কোনো সুযোগই দেয়নি স্পেন। নির্ধারিত সময়ে গোল না পেলেও অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সোমবার বাংলাদেশ সময় ভোরে অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিন
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোল করা দল হিসেবে ফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। অথচ স্পেনের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ের প্রথমার্ধে একটি শটও নিতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির দল। গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার পথে গড়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও। ১৯৬৬ সাল থেকে সংরক্ষিত বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানে এবারই প্রথম কোনো ম্যাচের প্রথ
গ্রুপ পর্বে সহজ জয়ের পর নকআউটে একের পর এক ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্রয়ের পর স্পেন জিতেছে সব ম্যাচেই, গোল খেয়েছে মাত্র একটি।
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়লেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
মায়ামিতে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল উৎসব করেছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
সেই চোট নিয়ে খেলেছেন ফাইনাল, গোল হজম না করেই জিতেছেন শিরোপা। চোট সাড়াতে তাঁকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল অপারেশন করার। কিন্তু বিশ্বকাপের জন্য সেই পরামর্শ গোনাতেও নেননি।