
কাতারে রমজান মাসের ইফতারে ফিরে আসে ঐতিহ্যের খাবার
কাতারসহ আরব দেশগুলোতে রমজানে মাগরিবের আজান হলে প্রথমে শুধু খেজুর ও পানি খাওয়া হয়। এরপর মাগরিবের নামাজ শেষে মূল ইফতার পর্ব শুরু হয়।

কাতারসহ আরব দেশগুলোতে রমজানে মাগরিবের আজান হলে প্রথমে শুধু খেজুর ও পানি খাওয়া হয়। এরপর মাগরিবের নামাজ শেষে মূল ইফতার পর্ব শুরু হয়।

রমজানের প্রতি শনি, রবি ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতে এখানে নিয়মিত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিদিনের ইফতারে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০০-এর অধিক, আর অনেক দিন তা ৪০০ জনের বেশি ছাড়িয়ে যায়।

রোজার মূল উদ্দেশ্য শুধু না খেয়ে থাকা নয়; এর লক্ষ্য মানুষের ভেতরে আল্লাহভীতি, আত্মসংযম ও নৈতিক শক্তি গড়ে তোলা।

জিলাপি তৈরি করা হয় ডুবোতেলে ভেজে। তার ওপর এতে দেওয়া চিনি হয়ে দাঁড়াতে পারে নানাবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ।

রমজানে দান-সদকা অন্যের রোজা, নামাজ ও জিকিরের সহায়ক হয়ে ওঠে; ফলে সাহায্যকারী ব্যক্তি পরোক্ষভাবে ঐ সব ইবাদতের অংশীদার হয়ে যায়।

পশ্চিমা খ্রিষ্টান দেশগুলোতে রমজানকে প্রায়ই সম্মান জানানো হয়। অফিস, স্কুল বা পাবলিক ইভেন্টে রোজা রাখার কারণে খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকা প্রায়ই সমর্থন পায়। যদিও সরকারি ক্যালেন্ডারে রমজান বিশেষভাবে উল্লেখ থাকে না।

রমজান মাসে মাথাব্যথার অন্যতম কারণই হলো পরিবর্তিত জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর চর্চা বজায় রাখতে না পারা। তবে অন্যান্য কারণও থাকতে পারে।

রোজাদার ব্যক্তির কাজ হলো, কেবল বড় গুনাহ নয়, নিজেকে সব ধরনের গুনাহ থেকে দূরে রাখবেন। তাহলে তিনি আল্লাহর রহমত, করুণা ও ক্ষমা লাভ করবেন।

শত বছরের পুরোনো প্রথা মেনে পাহাড়ের চূড়ায় আগুন জ্বালিয়ে ইফতারের সময় ঘোষণা করা হয়। আগুনের শিখা দেখে গ্রামের মানুষ বুঝতে পারে রোজা ভাঙার সময় হয়েছে।

এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ মুসলিম। তবে কিছু খ্রিষ্টান ও হিন্দুও আছেন। ধর্মীয় উৎসবগুলো সবাই মিলেই আনন্দের সঙ্গে উদ্যাপন করেন—এ যেন সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

নওগাঁয় ইফতারে টক দইয়ের ঘোল বা ‘পাতলা দই’ অপরিহার্য অনুষঙ্গ। দুধের দাম বাড়ায় হাঁড়িপ্রতি ২০–৩০ টাকা বেড়েছে দাম, তবু রোজাদারদের চাহিদা কমেনি, ফুটপাত থেকে প্রসিদ্ধ দোকান—সবখানেই বিক্রি জমজমাট।

রেস্তোরাঁর টেবিল পাতা রয়েছে যেখানে তার অদূরেই সৈকতে ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে। সেদিকে তাকিয়ে প্রশান্তিতে মন ভরে ওঠে রোজাদারদের।