করোনায় খুইয়েছিলেন চাকরি, গ্রামে ফিরে নাজমুলের ভাগ্যবদল
করোনায় চাকরি হারিয়ে গ্রামে ফিরে লবণাক্ত জমিতে সরজান পদ্ধতিতে সমন্বিত খামার গড়ে তুলেছেন ঝালকাঠির নাজমুল ইসলাম। পেয়ারা, মাছ ও সবজি মিলিয়ে এখন তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ছয় লাখ টাকা।
করোনায় চাকরি হারিয়ে গ্রামে ফিরে লবণাক্ত জমিতে সরজান পদ্ধতিতে সমন্বিত খামার গড়ে তুলেছেন ঝালকাঠির নাজমুল ইসলাম। পেয়ারা, মাছ ও সবজি মিলিয়ে এখন তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ছয় লাখ টাকা।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদে জেলেদের জালে গতকাল রোববার সকালে ৫৫ কেজি ওজনের বিপদাপন্ন প্রজাতিভুক্ত একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়ে।
মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার বড়শি দিয়ে মাছ ধরার আয়োজন করে।
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে এক জেলের বড়শিতে ধরা পড়েছে ২৪ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। পরে মাছটি কেটে বিক্রি করা হয়েছে ৩১ হাজার ২০০ টাকায়।
জামালপুরের ব্রহ্মপুত্র নদে পানি কমে মাছহীন হয়ে গেছে, জীবিকায় সংকটে পড়েছেন নদনির্ভর মানুষ। দুদু মিয়ার মতো অনেকে ২০–৩০ বার জাল ফেলেও দু-একটা ছোট মাছ পান না। বালু উত্তোলন ও খনন সত্ত্বেও নদের অবস্থা উন্নয়ন ঘটেনি।
মেঘনায় মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ ও মতলব উত্তর উপজেলার মাছবাজারে তেমন ইলিশ দেখা যাচ্ছে না।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে ধরা পড়া একটি বড় পাঙাশ মাছ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে ধরা দুটি বড় কাতলা মাছ প্রায় ৮৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
সোমবার সকালে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের একটি বিশাল কাতলা মাছ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
মাছটি নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা কিনে নেন।
পয়লা বৈশাখে ইলিশের অভাবে কক্সবাজারে চাপিলা-ফাইস্যার দাম বেড়েছে। ক্রেতারা ইলিশের বিকল্প হিসেবে এসব মাছ কিনছেন। জ্বালানি সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশের সংকট গভীরতর হয়েছে।
জাটকা রক্ষায় ১ মার্চ থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মেঘনার চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ষাটনল থেকে হাইমচরের চরভৈরবী পর্যন্ত সব প্রকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা চলছে।