হরমুজ প্রণালিতে ট্রাম্পের ‘যৌথ নিয়ন্ত্রণ’ প্রস্তাব নিয়ে উপহাস করেছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
এরই মধ্যে ৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহু অক্টোবরের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জনমত জরিপে এবারের নির্বাচনে তাঁর ডানপন্থী জোটের পরাজয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মুখে ইরানে কট্টরপন্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নতুন বিতর্ক। চলমান পরিস্থিতিতে তেহরানের পরমাণু বোমা তৈরি করা উচিত কি না-এই বিতর্ক এখন দেশটিতে জোরালো হয়ে উঠেছে। অনেকে প্রকাশ্যেই এ নিয়ে কথা বলছেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।
নেতানিয়াহুর চেঙ্গিস খানের মতো আগ্রাসী নীতি ইসরায়েলের রাজনীতিতে প্রতিফলিত হচ্ছে, যা জেরুজালেমের পবিত্র স্থানে ক্যাথলিক প্যাট্রিয়ার্ককে আটকানো থেকে গাজার ধ্বংস পর্যন্ত বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এই দম্ভ শেষ পর্যন্ত নৈতিক পরাজয়ই নিয়ে আসবে বলে মত প্রকাশ করেছেন লেখক। ঐতিহাসিক তুলনা করে তাঁরা সতর্ক করেছেন এই পথের পরিণতি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এক সপ্তাহে বাংলাদেশের চারটি প্রতিষ্ঠান যে ২০১টি ভুয়া তথ্য শনাক্ত করে, তার ৮৬টিই এই যুদ্ধ নিয়ে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের হাইফায় এক ভবন ধসে চারজন নিহত হয়েছেন। মধ্যাঞ্চলে গুচ্ছবোমা হামলায় আহত হয়েছেন কয়েকজন। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান ৫০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
ইরানের সরকার সহজে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কম। এটি একটি বিস্তৃত ও শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর দেশ দুটির হয়ে কাজ করা গুপ্তচর আটক।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইসরায়েলের প্রযুক্তি খাতে গুরুতর কর্মীসংকট দেখা দিয়েছে। ইসরায়েল ইনোভেশন অথরিটির জরিপে দেখা গেছে, অর্ধেক প্রতিষ্ঠানে জনশক্তির ২৫ শতাংশের বেশি কর্মী অনুপস্থিত। এতে পণ্য উন্নয়ন, আমদানি ও বিনিয়োগ সবকিছুতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।