কাদের চিয়া সিড খাওয়া উচিত নয়, চিকিৎসক কী বলছেন
পুষ্টিগুণে ভরপুর চিয়া সিড দারুণ উপকারী। তবে স্বাস্থ্যকর এই খাদ্য উপকরণ সবার জন্য নিরাপদ নয়। এ ছাড়া খুব বেশি পরিমাণে খেলে সমস্যা হতে পারে যে কারোরই।
পুষ্টিগুণে ভরপুর চিয়া সিড দারুণ উপকারী। তবে স্বাস্থ্যকর এই খাদ্য উপকরণ সবার জন্য নিরাপদ নয়। এ ছাড়া খুব বেশি পরিমাণে খেলে সমস্যা হতে পারে যে কারোরই।
কড়াইয়ে তেল দিয়ে গোটা শর্ষে ফোড়ন দিয়ে একে একে বাকি সব উপকরণ দিয়ে হালকা ভেজে নিন।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই পা ফোলা গুরুতর অন্তর্নিহিত রোগের একটি লক্ষণ। যেমন হার্ট ফেইলিউর, কিডনি ফেইলিউর, থাইরয়েড হরমোনের অভাব, অপুষ্টি।
বিশেষ পদ্ধতিতে রান্না হয় এই রেস্তোরাঁয়। আছে ডিটক্স প্রোগ্রাম এবং যোগব্যায়ামের ব্যবস্থা। সুস্থ থাকার চেষ্টা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই এ উদ্যোগের শুরু।
একটি সালাদ কতটা স্বাস্থ্যকর, তা নির্ভর করে তা কোন কোন উপকরণ দিয়ে কীভাবে তৈরি করা হচ্ছে এবং কী হিসেবে সেই সালাদ গ্রহণ করা হচ্ছে, তার ওপর।
পুষ্টিবিশেষজ্ঞরা দুই হাজার ক্যালরির খাদ্যতালিকায় সপ্তাহে দেড় কাপ ডাল খাওয়ার পরামর্শ দেন। ডাল প্রোটিন, ফাইবার ও খনিজে ভরপুর এবং বিভিন্ন রোগীদের জন্য উপকারী। তবে কিছু স্বাস্থ্য সমস্যায় এড়িয়ে চলতে হতে পারে।
শজনে ও লাজনা দেখতে একই রকম হলেও গাছের উচ্চতা, ফুল-ফলন, ডাঁটার স্বাদ এবং চাষপদ্ধতিতে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। উদ্ভিদবিদ জিনিয়া নাসরিনের বক্তব্য থেকে জানুন এদের মৌলিক ভিন্নতা। দুটি উভয়েরই ঔষধি গুণ প্রচুর।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বিষ দিয়ে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন, এমনকি নিজের ভাইকেও ছাড়বে না। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিপন্ন হাঙর ও শাপলাপাতা মাছ রক্ষার প্রদর্শনীতে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। এ ধরনের কার্যকলাপ জলজ প্রাণী বিলুপ্তি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। টিকাদানে ঘাটতি, ঘনবসতি এবং অপুষ্টি এর প্রধান কারণ। হাসপাতালে শিশুদের ভিড় বাড়ছে।
বিলাসিতা নয়, বরং যা পাওয়া যেত তা দিয়েই তিনি তৃপ্ত হতেন। তাঁর প্রিয় খাবারগুলোর মধ্যে এমন কিছু খাদ্য ছিল, যা আজও পুষ্টিবিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত।
নবীজি (সা.) খেজুরকে কেবল দস্তরখানের সৌন্দর্য হিসেবে দেখেননি, একে ক্ষুধা নিবারণ ও শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করেছেন।
খুদে পানার মতো একধরনের জলজ ফার্ন হলো অ্যাজোলা। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের কৃষকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই অ্যাজোলার ব্যবহার। কেউ ধানি জমিতে অ্যাজোলা ব্যবহার করছেন সার হিসেবে, কেউ আবার পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে খাওয়াচ্ছেন গবাদিপশু, মাছ ও হাঁস-মুরগিকে।