
কোরবানির জন্য অনেকের পছন্দ মহিষ, কিন্তু কেন
কোরবানির জন্য মহিষ কিনেছেন এমন তিনজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, সবাই ভাগে মহিষ কোরবানি দিচ্ছেন।

কোরবানির জন্য মহিষ কিনেছেন এমন তিনজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, সবাই ভাগে মহিষ কোরবানি দিচ্ছেন।

কোরবানির পশু হতে হবে সুন্দর, পরিষ্কার আর নিখুঁত—বলছিলেন পশু ব্যবসায়ী রফিক মোল্লা।

গাড়ি এই বন্ধ হয় তো, এই চালু হয়। একটু এগোয়, আবার থামে। সামনে গাড়ি, পেছনেও গাড়ির সারি। গাড়ির ভেতরের মানুষের কেউ বিরক্ত, কেউ অস্থির।

রেডমিট খেতে গেলে সবার মনেই একধরনের ভয় কাজ করে। উচ্চ রক্তচাপের ভয়, হার্ট অ্যাটাকের ভয় আবার কেউ ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় করেন।

গরুর রশি ধরে দাঁড়িয়েছিলেন সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি গ্রামের নরেশ রায়। তাঁর পায়ের কিছু অংশ কাদার ভেতরে ঢুকে আছে। এতে তাঁর বিরক্তির শেষ নেই।

বছরের পর বছর পরম যত্নে লালন-পালন করে কোরবানির হাটের জন্য বিশাল আকৃতির গরু প্রস্তুত করেছিলেন ভোলার খামারি দুলাল ব্যাপারী। কিন্তু ঈদ সামনে এসেও কাঙ্ক্ষিত দামে গরু বিক্রি না হওয়ায় এখন দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাঁর।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার একটি কোরবানির হাটে পশু কিনতে গিয়ে মহিষের আক্রমণে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন নিহত হয়েছেন।

পশুর হাটে প্রবেশমুখের ঠিক পরেই মানুষের জটলা। বয়সী মানুষদের চেয়ে শিশু-কিশোরদেরই ভিড় বেশি। হাটের দুই মহিষকে নিয়ে তাদের যত আগ্রহ। আগ্রহের এই কারণ অন্য কিছু নয়, মহিষ দুটির গায়ের রং। পুরো শরীর গোলাপি।

ঢাকায় ২২ লাখের ‘কালা মানিক’, খাসি ‘ফ্রি’

চকচকে কালো রঙের বিশালদেহী গরু। ঠিক পাশেই বাঁধা একটি খাসি। কালো-সাদা রঙের মিশেলে লোমশ শরীর, মাথায় বাঁকানো শিং।

রাজবাড়ীর পাংশার খামারি মোহাম্মদ আলীর পালন করা ৩৮ মণের ষাঁড় ‘রাজবাড়ীর রাজা’ ঢাকার গাবতলীর হাটে উঠেছে। দাম চাওয়া হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা।

রাজধানীর গাবতলী হাটে গরু নিয়ে এসেছেন খামারি ইয়াকুব আলী।