ইরানকে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাওয়ার পরামর্শ ট্রাম্পের
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটির বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। গত সপ্তাহে আটলান্টায় ফিফার প্রস্তুতি সভায় একমাত্র ইরানই অনুপস্থিত ছিল।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটির বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। গত সপ্তাহে আটলান্টায় ফিফার প্রস্তুতি সভায় একমাত্র ইরানই অনুপস্থিত ছিল।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানের হামলার জবাবে সৌদি আরব গোপনে ইরান ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এটি আগে অজানা ছিল। উত্তেজনা কমাতে দুই দেশ পারস্পরিক বোঝাপড়ায় পৌঁছায়।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—তিন দিনে কত ডিজেল বাঁচবে, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কত? করোনার অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দিচ্ছে সতর্কতার কথা।
যুদ্ধের বিস্তৃতি এখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলর হামলার পর পাল্টা হামলায় অস্থির এখন এই অঞ্চল। এই যুদ্ধের শেষ কোথায়, তা নিয়ে বিবিসির বিশ্লেষণ।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইরান, তবে আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার কাছে ১০টি শর্ত দিয়েছে। খেলোয়াড়দের ভিসা, জাতীয় পতাকা-সংগীতের সম্মান ও নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে ফেডারেশন। আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের ভিসা নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে।
রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সায় চেয়েছে বাংলাদেশ।
উপসাগরীয় সংঘাত ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং এশিয়ার শেয়ারবাজারে পতন ঘটেছে। মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন।
গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।
যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের ধারণা, প্রেসিডেন্ট এই যুদ্ধের জন্য জনগণকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেননি এবং যুদ্ধের কারণও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।
হরমুজ প্রণালি অবরোধের হুমকিতে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম তীব্র ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৭% বেড়ে ১০২.১৬ ডলার এবং ডব্লিউটিআই ৮.৫% উঠে ১০৪.৮২ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে জ্বালানিসংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।