লোহিত সাগরে প্রভাব বাড়াতে হুতিদের কাছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও কমান্ডার
বিশেষ ফ্লাইটে হুতিদের কাছে সামরিক কমান্ডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন–সংক্রান্ত সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ইরান।
বিশেষ ফ্লাইটে হুতিদের কাছে সামরিক কমান্ডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন–সংক্রান্ত সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ইরান।
গত মার্চে সৌদি আরব ও ইরাকে সিআইএ-র স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পেছনে রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা বা তথ্য সরবরাহের বিষয়টি তদন্ত করছে মার্কিন গোয়েন্দারা।
ইয়েমেনের ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি লোহিত সাগরে সৌদি আরবের ‘এনসেলিয়া’ ও ‘লায়লা’ নামের দুটি তেল ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।
লোহিত সাগরে সৌদি আরবের দুটি তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী। তাদের দাবি, সামুদ্রিক অবরোধ অমান্য করায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চলানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি সৌদি আরব। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, লোহিত স
জর্ডানে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত দুই মার্কিন সেনাসদস্যের পরিচয় প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। একই সঙ্গে নিখোঁজ আরেক সেনার সন্ধানে পরিচালিত তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত দেহাবশেষের পরিচয় শনাক্তে পরীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছে সং
সোমবার ভোরে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, ইরানের আগ্রাসনের পর শত্রুপক্ষের ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়াল। উত্তর ইরাকে ভূপাতিত একটি ইরানি কামিকাজে ড্রোন থেকে অবিস্ফোরিত যুদ্ধাস্ত্রের নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণে নতুন করে হতাহতের পর এই মোট সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৪৩০ জনেরও বেশি মা
দক্ষিণ–পশ্চিমের আন্দিমেস্ক শহরের আকাশে এমকিউ–৯ ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংসের দাবি করেছে আইআরজিসি; সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী বন্দর আব্বাসসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান সম্পন্ন হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার নিয়োগে সিসিটিভি এবং ড্রোন ব্যবহারে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
কিন্তু এমন এক মুহূর্তে গতকাল ভোরেও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের একাধিক ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।