সরকার তথ্য গোপন করলে সংকট হয়
রাষ্ট্র, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা।
রাষ্ট্র, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আওয়ামী লীগের পক্ষে ফুল দিতে গিয়ে ২৬ মার্চ আটক তাহমিনা আক্তারকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ডিবি পুলিশের প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামীকাল তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন বলে আশা করছেন তার আইনজীবী।
বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দেন অজস্র বিদেশি লেখক-শিল্পী। লেখাটি তাঁদের নিয়েই।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তারের তিন মাস পর ১৪ মার্চ কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া সাংবাদিক আনিস আলমগীর মুক্তকণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর জেলজীবনের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিল্পী, রাজনীতিক, পেশাজীবীসহ অনেক দর্শনার্থী প্রদর্শনী দেখতে এসেছিলেন। ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠেছেন তাঁরা।
দর্শনার্থীরা বলেছেন, মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে যে আক্রমণ হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজ বা সভ্য মানুষের কাজ নয়। এটা উগ্রপন্থী মনোভাবের প্রকাশ। সবাই হামলার বিচার দাবি করেছেন।
মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় সরকারের দিক থেকে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা নেওয়া হবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
এ হামলা–ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘অচিন্তনীয়’ বলে উল্লেখ করে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার বলেন, প্রদর্শনী না দেখলে হামলার ভয়াবহতা বোঝা যেত না।
শিল্প প্রদর্শনীর নবম দিনে প্রচুর দর্শকসমাগম হয়েছিল। দর্শকেরা শিল্পকর্মটির প্রশংসা করেন এবং ভয়াবহ এই হামলার নিন্দা জানান।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে একদল উগ্রবাদী মুক্তকণ্ঠ ভবনে হামলা করে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এরপর ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আওয়ামী লীগের সময় নিয়ন্ত্রণ ছিল যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাদের হাতে। এখন বসাচ্ছেন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা।