সকালে আদা-মধু-কালিজিরা খেলে কী হয়? কারা এড়িয়ে চলবেন?
আদা, মধু ও কালিজিরা প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। সকালে পরিমিত খেলে সতেজতা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগী বা ওষুধ খাওয়া ব্যক্তিরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
আদা, মধু ও কালিজিরা প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। সকালে পরিমিত খেলে সতেজতা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস রোগী বা ওষুধ খাওয়া ব্যক্তিরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ মাসের আরিশা নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। সিলেট বিভাগে হাম শনাক্ত রোগী ৩৯ জন এবং সন্দেহে ভর্তি ১০১ জন।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে শয্যা ও চিকিৎসক সংকটে রোগীরা মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। নতুন ৯ তলা ভবন অব্যবহৃত থাকলেও প্রতিদিন দেড় হাজারের বেশি রোগী সেবা নিচ্ছেন। সিভিল সার্জন আশা দিয়েছেন, দ্রুত ভবন চালু হবে।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে করোনাকালীন মেয়াদোত্তীর্ণ এন-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ ৩৯ হাজার ৫৭০টি চিকিৎসাসামগ্রী খোলা আগুনে পোড়ানো হয়েছে। ঘন ধোঁয়ায় রোগী-স্বজন, চিকিৎসকরা ভুগছেন এবং পরিবেশদূষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেও বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে ২ ও সন্দেহজনক হামে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি শিশুর সংখ্যা গত চার দিনে ২৭ থেকে বেড়ে ৪৮-এ পৌঁছেছে। গত সপ্তাহে মোট ৭৫ শিশু ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ৪৮ জন এখনো চিকিৎসাধীন। অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আজ শনিবার কোনো নতুন রোগী ভর্তি হয়নি।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৫ কিমি অংশ যানজটে স্থবির। শুক্রবার রাত তিনটায় শুরু হওয়া এই জ্যামে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন, রোগী ও ফ্লাইট ক্যাচ করতে যাওয়া লোকজন অনিশ্চিত। পুলিশ এখনো কারণ শনাক্ত করতে পারেনি।
চট্টগ্রামে হামের সন্দেহে রোগী বেড়েছে ৮০ জনে, দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। চার উপজেলায় এখনো হাম কর্নার চালু হয়নি যদিও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন জানান, খোঁজ নিয়ে জরুরি নির্দেশ দেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ভোরে ও সকালে দুই জেলা হাসপাতালে ঘটনাগুলো ঘটে। উভয় জায়গায় হাম রোগী শিশুদের সংখ্যা বেড়েছে।
রাজশাহীতে শুক্রবার ৩৯.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়ে মৌসুমের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে, যা মাঝারি তাপপ্রবাহের স্তর। তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে, মানুষ বিপাকে পড়েছেন। হাসপাতালে গরমজনিত রোগী এখনো বেড়েনি, তবে প্রস্তুতি রয়েছে।
পাবনায় হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় টিকাদানকেন্দ্রে ভিড় লেগেছে। গরমে অপেক্ষায় অভিভাবকরা কষ্ট পাচ্ছেন। হাসপাতালে গত ১১ দিনে ৫০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে।
পাবনা জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার হামের লক্ষণ নিয়ে আরও ৬ জন ভর্তি হয়েছেন, যাতে চিকিৎসাধীন রোগী সংখ্যা ২৫-এ পৌঁছেছে। শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত। হাসপাতালে দুটি আইসোলেশন কর্নার গঠন করা হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে।