
ইরান যুদ্ধের আঁচ মার্কিনদের গায়ে, তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি
বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, ২০২৩ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চ।

বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, ২০২৩ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চ।

ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের দরকার নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে এবং পাকিস্তান, ইরাকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্য দেশগুলোও এখন ইরানের সঙ্গে চুক্তির উপায় খুঁজছে।

ইরান যুদ্ধে নিজের অদূরদর্শিতার ফলে ফাঁদে আটকে পড়েছেন ট্রাম্প। ইরানের তরুণ প্রজন্ম শাসকদের মৌলবাদ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অর্থনৈতিক সংকটে জনক্ষোভ তুঙ্গে। ট্রাম্পের সামনে এখন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।

রাশিয়ায় ভালো চাকরির আশায় গিয়েছিলেন ময়মনসিংহের আবদুর রহিম। দালালের ফাঁদে পড়ে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে প্রথম দিনেই ড্রোন হামলায় নিহত হন। পরিবার মরদেহ ফেরত ও দালালের বিচার দাবি করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে আসন্ন সংঘাতের বিষয়ে শেখ হামাদ গত বছরই সতর্ক করেছিলেন

ইরানে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতি লাগামহীন হয়েছে, খাদ্যপণ্যের দাম তিন গুণের বেশি বেড়েছে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জনগণের ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। ইন্টারনেট বিধিনিষেধ ও মুদ্রা দরপতন সংকটকে আরও গভীর করছে।

ট্রাম্প ও সি চিন পিংয়ের মধ্যে সর্বশেষ বৈঠকটি হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিমানঘাঁটিতে।

ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ এসেছে। ট্রাম্প পুরোদমে সামরিক অভিযানের চিন্তা করছেন।

চীনের নিজেদের শক্তি সম্পর্কে ভুল ধারণা রাখা ঠিক হবে না। দেশটির উচিত, নিজেদের অভিজ্ঞতার অভাবকে গুরুত্বসহকারে নেওয়া এবং এই সংঘাতের ফলাফলকে ছোট করে না দেখা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এটি অগ্রহণযোগ্য। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। ইরান দাবি করেছে ক্ষতিপূরণ ও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।

ইরান যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যায়সঙ্গত শর্ত দিয়েছে বলে দাবি করে তেহরান। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে।

২০২৬ সালে ইরানবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ইরানের শক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা অবমূল্যায়ন করায় এই যুদ্ধ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আধুনিক যুদ্ধের প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আর সুবিধাজনক নয়।