হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ, ইরানে মার্কিন পাল্টা হামলা
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সোমবার থেকে ইরানের সব বন্দর অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে। পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর এই ঘোষণা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। তেলের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
‘আমরা (অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে) যা করেছি, তা হলো দেশে ডলারের তীব্র ঘাটতি সৃষ্টি করা।’
হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো বহিরাগত হস্তক্ষেপ ইরান মেনে নেবে না।
ইরানি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ডেনা কারারি মুক্তি পেয়েছেন; এই পদক্ষেপের জন্য ইরানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এ অর্থ দিয়ে ইরানকে শুধু যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্যপণ্য কিনতে হবে, যা ইরানের জনগণের খুব দরকার।
ইরানের আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যে গুগল, মেটা, অ্যাপলসহ ১৮টির বেশি মার্কিন প্রযুক্তি ও অ্যারোস্পেস প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি দিয়েছে। ১ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে হামলা শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি ইরানের নেতাদের গুপ্তহত্যায় সহায়তা করছে বলে অভিযোগ।
ইরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ।
ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের ‘কড়া জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের।
গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে যে নৌ অবরোধ শুরু করে ওয়াশিংটন, তা ইরানকে শান্তিচুক্তির শর্ত মেনে নিতে চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা সত্ত্বেও ইরানের বর্তমান সরকার টিকে যেতে পারে।
জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত একটি বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।