জাফর ইকবালকে ‘জ্ঞানপাপী’ ও ‘শিক্ষক নামের কলঙ্ক’ বললেন চিফ প্রসিকিউটর
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালকে ‘জ্ঞানপাপী’ ও ‘শিক্ষক নামের কলঙ্ক’ বলে অভিহিত করেছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালকে ‘জ্ঞানপাপী’ ও ‘শিক্ষক নামের কলঙ্ক’ বলে অভিহিত করেছেন।
সাভারের সাধাপুর এলাকায় মসজিদের মাঠে কালো স্কচটেপে মোড়ানো একটি প্রেশার কুকার পাওয়া গেছে। বোমা সন্দেহে পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখেছে এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর ৭.৬২ এমএম গুলি ব্যবহার করেছে পুলিশ, যা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন।
প্রক্রিয়াগত দুর্বলতাগুলো আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে, কারণ, গ্রেপ্তার, আটক বা জামিনসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ নেই।
২০১১ সালে টঙ্গী আহসানউল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার থেকে নেমে একটু ডান দিকে মোড় নিয়ে ৪০ মিনিটের মতো যাওয়ার পর একটি সেতুর ওপর র্যাবের গাড়ি থামে বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. রফিকুল ইসলাম।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কারফিউ জারি করার আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের একটি ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেছে প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সেতু ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় যারা আগুন দিয়েছিল, তাদের বাড়ি, গাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গণ–অভ্যুত্থানের সময় ওবায়দুল কাদের ও মোহাম্মদ আলী আরাফাতের মুঠোফোনের কথোপকথনে এসব বিষয় উঠে এসেছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের খাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তৎকালীন ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের ওপর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরক্ত হয়েছিলেন বলে অডিও কথোপকথনে উঠে এসেছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ধরতে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করা অপরাধ ছিল।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর মামলা, গ্রেপ্তার, পলাতক ও বাধ্যতামূলক অবসরের চাপে পুলিশ কর্মকর্তারা।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জেআইসি পরিদর্শন করে তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার কথা জানান।