
পেট্রল–অকটেন-কেরোসিনের দাম বাড়ল, ডিজেল আগের দামেই
দেশের বাজারে জুন মাসের জন্য তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার।

দেশের বাজারে জুন মাসের জন্য তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়াল সরকার।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা। তবে বৃহস্পতিবার দিনভর তেলের দাম ওঠানামা করেছে। আজ শুক্রবার সকালে দাম আরও কমেছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ল এবং হরমুজ প্রণালি হুমকির মুখে পড়ল, তখন জ্বালানি আমদানিকারক অধিকাংশ দেশ বড় ধরনের সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

মার্কিন হামলার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়েছে।

বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বান করেছে সরকার।

পিপিআরসি চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সরকার উত্তরাধিকারের সংকট, জ্বালানি অস্থিরতা এবং জনপ্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।

চীনা সুপারট্যাংকারের একটির নাম ইউয়ান গুই ইয়াং। অন্যটির ওশান লিলি।

সুইমিংপুলের মতো চৌবাচ্চা বানিয়ে সেখানে জমা করা হয়েছিল জেট ফুয়েল। পাশে সারি সারি ড্রাম। কিছু ড্রামে ডিজেল, কিছু ড্রামে অকটেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানের হামলার জবাবে সৌদি আরব গোপনে ইরান ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এটি আগে অজানা ছিল। উত্তেজনা কমাতে দুই দেশ পারস্পরিক বোঝাপড়ায় পৌঁছায়।

ইরান যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যায়সঙ্গত শর্ত দিয়েছে বলে দাবি করে তেহরান। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে।

ইরানের যুদ্ধবিরতির জবাব ট্রাম্পকে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে, ফলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩.৮% বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.২০ ডলারে পৌঁছেছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল সরবরাহ ব্যাহত, জ্বালানি কোম্পানিগুলোর মুনাফা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন তেল রপ্তানিকারক হয়েছে।

ইরান যুদ্ধে শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৪.৫০ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা স্থবির হওয়ায় হরমুজ প্রণালির উদ্বেগ বেড়েছে।