
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা চালাবে সব ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা
সিএসআর তহবিলের টাকায় ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় গণভোট নিয়ে দুটি করে ব্যানার টাঙানো হবে। গতকাল ব্যাংকার্স বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর এ নিয়ে আলোচনা করেন।

সিএসআর তহবিলের টাকায় ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় গণভোট নিয়ে দুটি করে ব্যানার টাঙানো হবে। গতকাল ব্যাংকার্স বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর এ নিয়ে আলোচনা করেন।

গণভোটের পক্ষে প্রচারে অন্তর্বর্তী সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিলেও মাঠপর্যায়ে খুব বেশি প্রভাব পড়েনি।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর জয় নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকার, রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিপুলভাবে জিততে না পারলে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ সবকিছু প্রশ্নের মুখ পড়বে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এটি হবে প্রথম জাতীয় ভোটাভুটি, যা শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনের অবসানের পর দেশের গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রতিনিধি নিয়োগ দেবে এনসিপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে এর আগে কখনো এ রকম দুটি নির্বাচন একত্রে হয়নি।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেছেন, ‘গণভোট হচ্ছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কেমন হবে, তার পথরেখা নির্ধারণের একটি প্রক্রিয়া। আসুন, সকলে মিলে এই সুযোগ গ্রহণ করি।’

আদিলুর রহমান আরও বলেন, আমরা ওই বাংলাদেশটাই স্বপ্ন দেখি যেই স্বপ্ন আমাদের শহীদেরা দেখিয়ে গেছেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, যদি সত্যি সংস্কার চান তাহলে উত্তরটা আমাদের ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে।

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী করে সরকারের এই ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করতে হবে।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশ যেন ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থায় আর না ফেরে, সে জন্যই গণভোট।