হামাস কেন গাজায় সরকার থেকে সরছে, নেপথ্যে কী?
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বড় ধরনের সাংগঠনিক রদবদল করছে হামাস। তারা ‘সরকারি জরুরি কমিটি’ ভেঙে বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব ‘গাজার প্রশাসনের জাতীয় কমিটি’র হাতে দেওয়ার কথা বলছে।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বড় ধরনের সাংগঠনিক রদবদল করছে হামাস। তারা ‘সরকারি জরুরি কমিটি’ ভেঙে বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব ‘গাজার প্রশাসনের জাতীয় কমিটি’র হাতে দেওয়ার কথা বলছে।
ইসরায়েলের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরুর জন্য হামাস কায়রোয় প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
স্মোট্রিচ বলেন, হামাস নিঃশেষ হওয়ার আগে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ বন্ধ করবে না ইসরায়েল।
হামাসকে নিরস্ত্র করার পর গাজা থেকে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার করবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের নতুন প্রধান নেতা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন খলিল আল-হাইয়া। সোমবার (২০ জুলাই) হামাসের পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে। এর মাধ্যমে খলিল আল-হাইয়া হামাসের সাবেক প্রধান ইয়াহিয়া
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দাবি মেনে একতরফা নিরস্ত্রীকরণের কোনো প্রতিশ্রুতি না দিলেও গাজার শাসনভার ছাড়তে প্রস্তুত হামাস। তারা যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে।
গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তার অগ্রগতির পথে সংগঠনটিকে নিরস্ত্র করার প্রশ্নটি অন্যতম জটিল বিষয় ছিল।
গতকাল শনিবার আল-আকসা শহীদ মসজিদে ইজ্জ আল-দিন, তাঁর স্ত্রী আর ১৯ বছর বয়সী মেয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত।
গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অস্ত্র সমর্পণ করবে না বলে স্পষ্ট করেছে হামাস। কাতার, তুরস্ক ও মিশরের মধ্যস্থতায় আলোচনার পর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণের কথা জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
কাতার, তুরস্ক ও মিসরের মধ্যস্থতায় গাজায় অসামরিকীকরণ ও অস্ত্র হস্তান্তরের শর্ত মেনে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে হামাস। ইন্টারন্যাশনাল স্টাবিলাইজেশন ফোর্সের (আইএসএফ) তত্ত্বাবধানে এই নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও হামাস নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞায় ঐকমত্য পৌঁছেছেন। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের পর এ উদ্যোগ এগিয়েছে। ইসরায়েলের নেতারা এতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে গাজার ৭০ শতাংশ এলাকার দখল নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে গাজার ৬০ শতাংশ এলাকায় ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।