বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্থায়ন এবং গণতন্ত্রের সংকট
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের আওয়ামী শাসনের পতনের পর বাংলাদেশ এখন একটি সংকটময় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়ে আছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের আওয়ামী শাসনের পতনের পর বাংলাদেশ এখন একটি সংকটময় সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়ে আছে।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পরাজিত হয়েছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কাছে। বিএনপি অনেকের কাছে মধ্যপন্থী দল হলেও তুলনামূলকভাবে সেক্যুলারও।
রাজনৈতিক ইস্যু এড়িয়ে কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেয় বিমসটেক, তাই জোটের এজেন্ডায় রোহিঙ্গা সংকট নেই বলে জানিয়েছেন মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে।
আলোচনায় এসেছে, নির্বাচনের পর ফলাফল মেনে নেওয়ার সংস্কৃতি দেশে দুর্বল। যারা পরাজিত হয়, তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পথেই হাঁটে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তিতে এ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। জুলাইয়ের আশা–আকাঙ্খা, প্রত্যাশা, সফলতা, ব্যর্থতার বিষয়গুলোও সেখানে উঠে আসছে। এর মধ্যে কার্টুনিস্ট মেহেদী হকের আঁকা কয়েকটি কার্টুন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পক্ষে–বিপক্ষে নানা আলোচনা–সমালোচনা দেখা গেছে। কার্টুন প্রসঙ্গে এবং শিল্পীর স্বাধীনতা ও এ নিয়ে তর্ক–বিতর্ক নিয়ে লিখেছেন জাহিদ জামিল ও মোহাম্মদ জাহিদুল হক
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বাংলাদেশ রাজনৈতিক সংকটে পড়তে পারে।
২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান হলে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হয়।
দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
চেতনা বাস্তবায়নে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন।
আওয়ামী লীগের সামনে চারটি পথ, কী করবে
‘রিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগে সায় নেই শীর্ষ নেতৃত্বের
জাতীয় পার্টি কি আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে