ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করল ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করল ওয়াশিংটন।
নৌ অবরোধ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র
চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ বহাল থাকার ঘোষণা ট্রাম্পের।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, এ সমঝোতা স্মারক অবিলম্বে কার্যকর হবে।
যুদ্ধ বন্ধে একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই চুক্তিতে যে ১৪ বিষয় থাকছে, তার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঠুনকো যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ এখন আটকে আছে হরমুজ প্রণালিতে।
মার্কিন গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানি বন্দরে নৌ অবরোধের কারণে অন্তত চার মাস বড় অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে না। পারস্য উপসাগরে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।
মার্কিন নৌ-অবরোধ ফাঁকি দিতে 'শ্যাডো ফ্লিট' বা গোপন জাহাজের বহর ব্যবহার করে চীনে তেল রপ্তানির প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।
সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ-অবরোধ ঘোষণা করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি, যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ৩ হাজার স্থানে হাজারো মানুষ অর্থনৈতিক অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধ থেকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে হেঁটেছেন। এই কৌশল মূলত নতুন করে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা করা ছাড়াই সংঘাত শেষ করার চেষ্টা।
জ্বালানি মজুত ফুরিয়ে যাওয়া এবং ট্রাম্পের অবরোধের মধ্যে সিআইএ প্রধান জন র্যাটক্লিফ কিউবা সফর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্ক সংকটময় হলেও দুই পক্ষের গোয়েন্দা ও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। বিদ্যুৎ সংকটে কিউবায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।