ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ১৬ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত, কয়েকটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানের একটি বড় অংশই ইরানের হামলার শিকার হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানের একটি বড় অংশই ইরানের হামলার শিকার হয়েছে।
ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েক দেশের ঘাঁটি থেকে সেনাদের সরিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরান বলেছে, যেকোনো হামলার জবাবে তারা সরাসরি মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজে হামলা চালাবে।
দিয়েগো গার্সিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের একটি যৌথ সামরিক ঘাঁটি নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান।
ইরানের পাল্টা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইসরায়েলে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কর্মকর্তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুব হোসেন বলেন, মানবাধিকার সংরক্ষণের নামে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশে তাদের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান।
সৌদি আরব ও কুয়েত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ পুনরায় শুরু করতে আকাশসীমা ও ঘাঁটি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অনুমতি ট্রাম্প প্রশাসনের একটি বড় বাধা দূর করেছে। ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে আসছে ইরান।
জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনটি এফ-৩৫ স্টিলথ যুদ্ধবিমান ধ্বংস এবং আরও তিনটির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ স্যাটেলাইট চিত্রে।