এনইভি প্রযুক্তির গাড়ি উন্মোচন করল বিওয়াইডি
আধুনিক গাড়ি প্রযুক্তির সরাসরি অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে ‘বিওয়াইডি মিডিয়া ড্রাইভ’ শীর্ষক এক বিশেষ আয়োজন করেছে বিওয়াইডি বাংলাদেশ।
আধুনিক গাড়ি প্রযুক্তির সরাসরি অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে ‘বিওয়াইডি মিডিয়া ড্রাইভ’ শীর্ষক এক বিশেষ আয়োজন করেছে বিওয়াইডি বাংলাদেশ।
রানার অটোমোবাইলসের সঙ্গে কারিগরি চুক্তির পর বাংলাদেশে বিওয়াইডির বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মূলধন বাড়িয়ে প্রেফারেন্স শেয়ার ও কারখানা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও জানিয়েছে কোম্পানি।
২০০৮ সালের সেই রোমাঞ্চকর ঘটনার নায়ক বিশ্বের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) নির্মাতা ওয়াং চুয়ানফু।
বিওয়াইডি, গিলি ও চেরির মতো শীর্ষস্থানীয় চীনা গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান জোরদার করতে চাইছে, যদিও চীনের অভ্যন্তরীণ বাজারে বিক্রি কমছে।
জুলাই মাসে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার গাড়ি বিক্রি করে টানা তৃতীয় মাসের মতো প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে বিওয়াইডি। তবে বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে শুল্ক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানটির সামনে কঠিন পথ অপেক্ষা করছে।
চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি এক্সপেং দাবি করেছে, তাদের নতুন এল০৩ মডেল টেসলার মডেল ওয়াইকে টেক্কা দেবে। ইউরোপেও উৎপাদন ও স্বচালিত গাড়ি চালানোর প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
যুক্তরাজ্যে দ্রুত বাড়ছে চীনা গাড়ির বিক্রি। কম দাম, আধুনিক প্রযুক্তি ও শুল্ক-সুবিধার কারণে বিওয়াইডি, গিলির মতো ব্র্যান্ড জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিদেশের বাজারে বিওয়াইডির গাড়ি সরবরাহ বেড়েছে ৮২ দশমিক ৫ শতাংশ। ইউরোপ-এশিয়াজুড়ে চলছে কোম্পানিটির প্রযুক্তি প্রদর্শন সংক্রান্ত রোড শো।
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিওয়াইডির গাড়ি সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৯০টি, টেসলার ৪ লাখ ৮০ হাজার ১২৬টি।
ওয়াশিংটনে চীনের দূতাবাস এ সিদ্ধান্তকে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা নিয়ে অযথা টানাটানি করছে।
অটোমোবাইল শিল্পের গত ১০০ বছরের ইতিহাসে এমন তোলপাড় আগে কখনো দেখেনি বিশ্ব।
বিওয়াইডি সিল ৬ মডেলের বৈদ্যুতিক গাড়িটি একবার চার্জে ৪১০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। শুধু তাই নয়, ৩০ মিনিটেই পুরো চার্জ হয়।