বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত, কী কী পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি আছে
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আপনি যদি আমাদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে চান, তাহলে আমাদের কাছ থেকেও পণ্য কেনার চেষ্টা করতে হবে।’
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আপনি যদি আমাদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে চান, তাহলে আমাদের কাছ থেকেও পণ্য কেনার চেষ্টা করতে হবে।’
বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘বাণিজ্য উপদেষ্টা চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন, যা হবে অনলাইনে।’ অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা ও সচিব অনলাইনে যুক্ত থাকবেন।
বিএনপি তার নির্বাচনী ইশতেহারের পররাষ্ট্রনীতিতে বলেছিল, ‘পররাষ্ট্রনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের কল্যাণ সর্বাগ্রে প্রাধান্য পাবে। সমতা, নায্যতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বাংলাদেশ একটি আত্মমর্যাদাশীল, সক্রিয় ও দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অবস্থান গ্রহণ করবে।’
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি না হওয়ার পেছনের কারণ জানিয়েছেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক।
আজ সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের বৈঠক হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সেন্টমার্টিন-সোনাদিয়া-মাতারবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম বন্দর মূলত মার্কিন ইন্দোপ্যাসিফিক কমান্ডের বাংলাদেশ দখলের ধাপে ধাপে অগ্রযাত্রা।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছে।
চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব পণ্যে শুল্কছাড় দিতে হবে, তাতে রাজস্ব আয় কমতে পারে প্রায় ৪১৯ কোটি টাকা।
চীন ও মালয়েশিয়ায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা এবং মূল্যছাড় সুবিধা পেতে হেলথ পান্ডা লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি সই করল প্রাইম ব্যাংক।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারত সফর শেষে মন্তব্য করেছিলেন, ‘নয়াদিল্লি আগামী পাঁচ বছরে জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং কৃষির ওপর জোর দিয়ে ৫০ হাজার কোটি ডলার’ মূল্যের আমেরিকান পণ্য কিনতে ‘প্রতিশ্রুতি’ দিয়েছে।
নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থায় এলডিসিভুক্ত দেশগুলো অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পেত। কিন্তু এই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থায় সেগুলো থাকছে না।
দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে আইসিসি বাংলাদেশের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।