
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশোধিত ছুটির তালিকা প্রকাশ
পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে ২১ মের পর থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ।

ঈদুল আজহায় সরকারি- বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকায় সংশোধন আনা হয়েছে।

পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে বৃহস্পতিবার (২১ মে) শেষ ক্লাসের পর দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে।

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৬ থেকে ২৩ দিনের ছুটি শুরু হচ্ছে। প্রাথমিক-মাধ্যমিক ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত, মাদ্রাসায় ১১ জুন পর্যন্ত ছুটি। জুলাই-আগস্টেও একাধিক ছুটি নির্ধারিত।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে কাঠামোগত অসামঞ্জস্য ও কয়েক স্তরের শূন্যতা প্রশাসনিক কার্যকারিতা এবং শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত জ্বালানিসংকটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে ৯ এপ্রিলের মন্ত্রিসভা বৈঠকে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সশরীর-অনলাইন মিশ্র ক্লাসের সিদ্ধান্ত সেখানেই হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস কঠিন বলে মত প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, অপরিকল্পিত পরিবর্তন ও অবকাঠামোগত ত্রুটির কারণে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা সংকটে। শিক্ষকদের অবহেলা, অপ্রয়োজনীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রসারণ ও গবেষণার অভাব শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল করছে। সংস্কারের জন্য সকলের অংশগ্রহণ ও বাস্তবতা-ভিত্তিক পরিকল্পনা জরুরি।

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত স্কুলে গুচ্ছভিত্তিক পদ্ধতিতে সংগীত শিক্ষা চালু করছে সরকার। উপজেলায় ঘুরে প্রশিক্ষকরা পাঠ দেবেন এবং সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাও আয়োজিত হবে।

শিক্ষকদের চাকরিকে নন-ভ্যাকেশন ঘোষণার প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক চলছে। শিক্ষকরা ছুটির বৈষম্য এবং অবমূল্যায়নের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছেন। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বিবেচনাযোগ্য বলা হয়েছে কিছু ছুটির বিষয়।

জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে ইংরেজি বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্য একটাই—আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন ভাষাটি শিখতে পারে এবং তা ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে।

সরকারি কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বসন্ত ও শরৎকালীন ছুটি চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।