আন্তসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় ‘আস্থার সংকট’ কাটানোর আহ্বান
জলবায়ুর অস্থিরতা ও মানুষের অসহায়ত্ব মোকাবিলায় প্রচলিত রাষ্ট্রকেন্দ্রিক ‘পানি কূটনীতি’ ব্যর্থ হয়েছে।
জলবায়ুর অস্থিরতা ও মানুষের অসহায়ত্ব মোকাবিলায় প্রচলিত রাষ্ট্রকেন্দ্রিক ‘পানি কূটনীতি’ ব্যর্থ হয়েছে।
চার দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় জাপান গার্ডেন সিটির বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন থাকায় পানি সরবরাহও বন্ধ হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও বসবাসের সংকট কাটেনি। ভাঙা ঘর, কাদা ও মেরামতের অনিশ্চয়তায় অনেকে আশ্রয়কেন্দ্রেই আটকে আছেন, আর কোথাও ফিরলেও নতুন করে টিকে থাকার লড়াই শুরু হয়েছে।
পানি ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত বলেছেন, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে খুলনা শহরের পানি সমুদ্রের পানির মতো লবণাক্ত হয়ে যেতে পারে। সুন্দরবনে বড় ধরনের পরিবেশগত পরিবর্তন দেখা দেবে।’
বান্দরবানের রোয়াংছড়ির শুকনাছড়ি পাড়ায় সরকারি সাহায্য ছাড়াই সব সেবা নিজেদের উদ্যোগে দিচ্ছে গ্রামবাসী
দেশের দীর্ঘমেয়াদি পানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ, প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদেরা।
নিসংকটাপন্ন ঘোষিত এলাকার আয়তন ২ হাজার ৭৮৭ বর্গকিলোমিটার; যেখানে প্রায় ২১ লাখ ৫ হাজার মানুষ পানিসংকটে ভুগছেন।
বুধবার দুপুরে দিনাজপুরের বিরামপুরের মেসার্স সরকার ফিলিং স্টেশনে তৃষ্ণার্ত মোটরসাইকেল চালকদের বিনামূল্যে ঠান্ডা পানি পান করাচ্ছেন কাজল হোসেন। তেল সংকটে দীর্ঘ অপেক্ষায় ক্লান্ত চালকদের এ উদ্যোগে স্থানীয়রা সাধুবাদ জানাচ্ছেন। উপজেলা সমাজসেবা দপ্তরও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর মাধ্যমে পানির ব্যবস্থা নেবে।
মিরপুরের কিছু এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কখন পানি আসবে, কতক্ষণ থাকবে কিংবা সংকট কত দিন চলবে—এসব বিষয়ে ওয়াসার কাছ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
ঢাকা আজ শুধু যানজট, বায়ুদূষণ বা আবাসন–সংকটের শহর নয়, এটি দ্রুত একটি পানিসংকটের শহরে পরিণত হচ্ছে।
জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় দুই-তিন দিন ধরে ঘোলা পানির সংকট চলছে বলে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন। এলাকায় প্রয়োজন এক কোটি লিটার পানি, কিন্তু উৎপাদন হয় মাত্র ২৭ লাখ লিটার। সংসদ কমিটির বৈঠকে এসব বিষয় ছাড়াও আবাসন বরাদ্দ ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
মিরপুর এলাকায় পানির সঙ্গে গ্যাসের সমস্যা, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ, খালে অবৈধ দখল, জলাবদ্ধতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কিশোর গ্যাং ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার সংকট রয়েছে।