জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবন এলাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। গত দুই-তিন দিন ধরে এখানে ঘোলা পানি সরবরাহ হচ্ছে। ফলে তাঁর নিজেরও পেট খারাপ হয়েছে।
আজ সোমবার সংসদ কমিটির বৈঠক শেষে সভাপতি চিফ হুইপ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি জানান, এখানে এক কোটি লিটার পানির প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে মাত্র ২৭ লাখ লিটার পানি উৎপাদিত হয়। পানির এ সমস্যা সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে।
আজকের বৈঠকে মূলত সংসদ সদস্যদের আবাসন বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনা হয়। চিফ হুইপ বলেন, আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে সংসদ সদস্যদের বাসা বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের কোনো অভাব নেই। যদিও কিছু বাসা ২০০০ সালে তৈরি হয়েছে এবং কিছু নষ্ট ছিল, সেগুলো ইতোমধ্যে ঠিকঠাক করা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তাসহ সব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংসদের মেডিক্যাল সেন্টার নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
সংসদের সাউন্ড সিস্টেম এখনো সঠিকভাবে কাজ করছে না বলে চিফ হুইপ জানান। তাঁরা এটি উন্নত করার চেষ্টা করছেন। যদি না হয়, তাহলে নতুন সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করা হবে।
বৈঠকের শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংসদ অধিবেশনকক্ষের সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা চিহ্নিত করতে সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলামকে এবং সংসদ ভবনের ক্যান্টিনের খাবারের মান যাচাই, সংসদ ভবন এলাকায় সরবরাহ লাইনের পানির মান যাচাই ও সংসদ সদস্য ভবনে ব্যবহৃত আসবাবপত্রের গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য নায়াব ইউসুফ আহমেদকে আহ্বানকারী করে দুটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য ভবনের প্রয়োজনীয় আসবাব কেনাকাটার ক্ষেত্রে বিগত স্বৈরাচারের আমলের বালিশ, পর্দা ও ছাগল–কাণ্ডের মতো ঘটনা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. অলি উল্লাহ, মো. সাইফুল আলম ও মো. আবুল হাসনাত।






