কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে, দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার ওপরে
ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুধকুমার নদের পানি সমতলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুধকুমার নদের পানি সমতলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
দেশের পাঁচটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, তবে পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
মৌলভীবাজারে টানা কয়েক দিনের হালকা ও ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন হাওরে পানি বেড়েছে।
উজানের ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।
ভারতের মেঘালয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিপাতের কারণে সিলেটের সব কটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের প্রভাবে কুড়িগ্রামের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব নদী হলো ভুগাই কংস, মনু, সোমেশ্বরী ও মগরা।
উজানের ঢল ও বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামে ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ কয়েকটি নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে।
উঁচু জোয়ারের সঙ্গে নদীগুলো ফুঁসে ওঠে। নিম্নাঞ্চল ও চর এলাকায় প্লাবিত হওয়ায় দেখা দিয়েছে দুর্ভোগ।
পাঁচটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং সমুদ্রবন্দরগুলোতে তিন নম্বর সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছে।
নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।