
কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে, দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার ওপরে
ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুধকুমার নদের পানি সমতলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুধকুমার নদের পানি সমতলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

দেশের পাঁচটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, তবে পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

মৌলভীবাজারে টানা কয়েক দিনের হালকা ও ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন হাওরে পানি বেড়েছে।

উজানের ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।

ভারতের মেঘালয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিপাতের কারণে সিলেটের সব কটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব নদী হলো ভুগাই কংস, মনু, সোমেশ্বরী ও মগরা।

উজানের ঢল ও বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামে ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ কয়েকটি নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে।

পাঁচটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং সমুদ্রবন্দরগুলোতে তিন নম্বর সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছে।

নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতি বিদ্যমান। চার নদীর ছয়টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকলেও বৃষ্টি কমে আসায় পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে।

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থেকে নদীটি করতোয়া নামে প্রবাহিত। ছোট ছোট ৩৬টি নদীর পানি মিলিয়ে বগুড়ার করতোয়া। এই ৩৬টির বাইরে এ রকম আরও নদী থাকা অস্বাভাবিক নয়।